কলকাতা: সোমবার থেকে শিয়ালদহ ডিভিশনে আরও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ছে৷ সপ্তাহের প্রথম দিন থেকেই চলবে ৬১৩টি ট্রেন৷ তবে এখনই মাতৃভূমি বা লেডিজ স্পেশাল চালু হচ্ছে না৷

শিয়ালদহ ডিভিশন সূত্রে খবর, অফিস টাইমে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সকাল ৮ টা থেকে ১১টা ও বিকেল ৪ টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা এই সময় বেশি ট্রেন চালানো হবে৷

দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে ভোর রাত ২:৪০ মিনিটে। এই ট্রেনটি যাবে মেদিনীপুর অবধি। হাওড়া থেকে মেদিনীপুর যাওয়ার জন্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ২০:১৫ মিনিটে। খড়গপুর যাওয়ার জন্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ২০:৪৮ মিনিটে।

হাওড়া আসার জন্যে খড়গপুর থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে রাত ৩:০০ মিনিটে। পাঁশকুড়া থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে রাত ৩:০৫ মিনিটে। মেচেদা থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে রাত ৪:২০ মিনিটে।মেদিনীপুর থেকে হাওড়া আসার শেষ ট্রেন ছাড়বে ১৯:১৫ মিনিটে। পাঁশকুড়া থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ২০:১৮ মিনিটে।

সূত্রের খবর,দক্ষিণ পূর্ব রেল ৩৪ টি লোকাল ট্রেনের পরিবর্তে ৮১টি লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ হাওড়া ও মেদিনীপুরের মধ্যে ২৬টি ট্রেন চলবে। হাওড়া ও খড়গপুরের মধ্যে ৮টি ট্রেন চলবে। হাওড়া থেকে পাঁশকুড়ার মধ্যে ১৮টি ট্রেন চলবে।হাওড়া থেকে মেচেদার মধ্যে ১০ জোড়া ট্রেন চলবে।

এদিকে জেলায়-জেলায় লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমতি মেলার পরই তৎপরতা তুঙ্গে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার বৈঠকে বসছে রেল কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য সরকার। নবান্নের আয়োজিত এই বৈঠকে কোথায় কত সংখ্যক ট্রেন চলবে তা যেমন ঠিক হবে, তেমনই করোনা বিধি সংক্রান্ত পালনীয় কর্তব্য স্থির হবে।

প্রথম দফায় রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে গত ১১ নভেম্বর থেকে। কিন্তু সেই সময় বেশ কিছু নন-সাবার্বান রুটে রেল চলাচলের অনুমোদন দেয়নি নবান্ন। এ দিকে জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নন-সাবার্বান বিভাগে ট্রেন না চলায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়, যার চাপ এসে পড়ে প্রশাসনের উপরে।

ফলে বাধ্য হয়েই রেল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় নবান্ন। পরিবহণ সচিব রাজেশকুমার সিনহা। পূর্ব রেলের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

উল্লেখ্য, ট্রেন চলায় মহানগরের সঙ্গে রেলসূত্রে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু জেলা। তবে এখনও ব্রাত্য বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমানের একটি বড় অংশ। বর্ধমান-সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে চলছে না লোকাল ট্রেন।কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় ট্রেন চলছে না।

আজিমগঞ্জ-রামপুরহাট শাখায়ও ট্রেন বন্ধ। বহরমপুরের সাংসদ অধীর চোধুরী রেলমন্ত্রীকে অবিলম্বে এই ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়েছেন। হাঁসন কেন্দ্রের বিধায়ক তথা বীরভূম জেলার কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছেন জেলায় লোকাল ট্রেন চালুর জন্য। স্টেশন মাস্টারকে স্মারকলিপি দেওয়া দিয়েছেন তিনি। বাঁকুড়ার এমপি সুভাষ সরকার এই শাখায় ট্রেন চালুর দাবিতে লিখিত চিঠি দিয়েছেন। তারপরই পূর্ব রেলের তরফে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

রেল সূত্রে খবর, যে সমস্ত শাখায় ট্রেন চালানো নিয়ে এই বৈঠক, সেগুলি হল, বর্ধমান-রামপুরহাট, বর্ধমান-আসানসোল, কাটোয়া-আজিমগঞ্জ, অণ্ডাল-সাঁইথিয়া, নলহাটি-আজিমগঞ্জ প্রভৃতি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I