কলকাতা- আপনার কি চুল উঠে যাচ্ছে? মাথার সামনের দিকে টাক পড়তে শুরু করেছে? সেই চওড়া টাক দেখে কি বান্ধবী দূরে সরে যাচ্ছে? চিন্তা করবেন না। এই মুহূর্তে টলি থেকে বলি তিন তিন জন অভিনেতার একই অবস্থা। মাথায় বিরাট টাক নিয়ে মহা বিপদে পড়েছেন টলি পাড়ার ঋত্বিক চক্রবর্তী আর বলিউডের আয়ুষ্মাণ খুরানা ও সানি সিং।

অবাক হচ্ছেন তো! না বাস্তবে নয়। ছবির পর্দায় তিনটি ভিন্ন ছবিতে এই তিন অভিনেতাকে টাক পড়ে যাওয়া ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে। রবিবার মুক্তি পেল ঋত্বিক অভিনীত ছবি ‘টেকো’-র ট্রেলার। সুরিন্দর ফিল্মসের এই ছবির পরিচালনা করেছেন অভিমন্য়ু মুখোপাধ্যায়।

ট্রেলারে দেখা যাচ্ছে, চুল নিয়ে বড়ই খুঁতখুঁতে ঋত্বিক অভিনীত চরিত্রটি। চুল নিয়েই তার যাবতীয় ফ্যান্টাসি। প্রেমেও পড়ে সে চুল দেখেই। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে এমন এক তেল মাথায় মাখে, যে রাতারাতি সে টেকো-য় পরিণত হয়। প্রেমিকাও দূরে চলে যেতে থাকে। এখান থেকেই টেকোর স্ট্রাগল শুরু।

একই সময়ে টাক বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ‘টেকো’, ‘বালা’, ‘উজড়া চমন’ এই তিনটি ছবি মুক্তি পাচ্ছে। কলকাতা ২৪x৭ থেকে যোগাযোগ করা হলে পরিচালক অভিমন্য়ু মুখোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, “তিনটি ছবির ট্রেলার দেখলেই বোঝা যায় গল্পে কোনও মিল নেই। অন্তত টেকো-র সঙ্গে বাকি দুটো হিন্দি ছবির কোনও মিল নেই। শুধু মিল একটাই যে একটা মানুষের টাক রয়েছে। সে বাঙালি-অবাঙালি নির্বিশেষে যে কোনও মানুষেরই টাক থাকতে পারে। ছবিগুলির প্রধান চরিত্রগুলিতে কেবল টাক রয়েছে। কিন্তু গল্পে কোনও মিল নেই।”

অভিমন্য়ু আরও জানান, “সাধারণ মানুষের জীবনে ভুয়ো বিজ্ঞাপনের জন্য অনের সমস্যা হয়। আর বাঙালিদের টাক পড়া এক বিরাট সমস্যা। ছবিতে সেই ভুয়ো বিজ্ঞাপনের ব্যাপারটি রয়েছে।”

ট্রেলারেই দেখা যায়, তেল মেখে টাক পড়ে যায় ঋত্বিকের। আবার কারও ফর্সা হওয়ার ক্রিম মেখে উল্টো প্রতিক্রিয়া হয়।

প্রসঙ্গত, এই ছবিতে ঋত্বিকের বিপরীতে দেখা যাবে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে। আগামী ২২ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘টেকো’।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।