স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নন্দরাম মার্কেটে। ১১ বছর আগের স্মৃতি উস্কে দাউদাউ করে জ্বলছে নন্দরাম মার্কেট। এই দৃশ্য চোখের সামনে দেখে শিহরিত সাধারণ মানুষ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। শনিবার দুপুরে মার্কেটের ৯ তলায় একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লেগে যাওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হাওড়া ব্রিজে। ফলে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে নিত্য যাত্রীদের।

কলকাতায় ব্র‍্যাবোর্ন রোডের নন্দরাম মার্কেটে আগুন লাগার কারণে বেশ কিছুক্ষণের জন্যে হাওড়ার রবীন্দ্র সেতুতে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। যার জেরে ব্র‍্যাবোর্ন রোডে যান চলাচলে সমস্যা হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ রাখা হয় হাওড়া ব্রিজের যান চলাচল। ট্রাফিক দফতরের সূত্রে এই খবর জানা গেছে। হাওড়া ব্রিজে ট্র‍্যাফিক পুলিশের বুথের সামনে মাইক লাগিয়ে চালকদের বিদ্যাসাগর সেতু হয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। প্রথমে গাড়ি চলাচল কিছুক্ষণের জন্যে বন্ধ করে দেওয়া হলেও পরে তা খুলে দেওয়া হয়।

কীভাবে আগুন লেগেছে, তা এখনও স্পষ্ট না হলেও, প্রাথমিকভাবে দমকলকর্মীদের অনুমান শট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। বাইরে থেকে গলগল করে বের হতে দেখা গিয়েছে ধোঁয়া। যে করিডর দিয়ে ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করে থাকেন, সেখানে দাউদাউ করে আগুন লেগে যায়। এর আগে ২০০৮ সালে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল নন্দরাম মার্কেটে। আগুনের গ্রাসে চলে গিয়েছিল প্রায় চার হাজারেরও বেশি দোকান। জনবহুল এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে সমস্যা হচ্ছে। নন্দরাম মার্কেটের ওই এলাকা খালি করে দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ চলছে। ব্যস্ত ব্রেবোর্ন রোডেও স্বাভাবিকভাবেই যানজট তৈরি হয়েছে।

২০০৮ সালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল নন্দরাম মার্কেট। মেরামতির পর ফের স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। প্রথমবার আগুন লাগার পরই সাজানো হয়েছিল মার্কেটকে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। তা সত্বেও কীভাবে ফের আগুন লাগল তা স্পষ্ট নয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।