পাতিয়ালা: একদিকে কর্তব্য, অন্যদিকে মমত্ব। শেষমেশ দুই দায়িত্বই এক কাঁধে তুলে নিলেন চন্ডিগড়ের এই সদ্য মা হওয়া ট্রাফিক পুলিশ। কাঁধে তার ছোট্ট সন্তান, আরেক হাতে পরিচালনা করছেন কার্যভার। তিনি পারদর্শিতার সঙ্গে সামলেছেন ট্রাফিক। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তে ভাইরাল। এমন অনেক ছবিই আমাদের ঝাঁ চকচকে জীবনের মোড়কে ঢাকা পড়ে যায়। তবে অস্বীকার করার উপায় নেই যে যেটাই তার মধ্যে থেকে উঠে আসে সেটাই স্যালুট পাওয়ার দাবিদার।

ট্রাফিক কর্মী ওই মহিলাকে বলেছিলেন তিনি চাইলে বাড়ি চলে যেতে পারেন। কিন্তু সেই ট্রাফিক পুলিশ রোদের তাপ সহ্য করে চুপচাপ তার ডিউটি করে গেছেন। অনেকে আবার দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন যে এভাবে সদ্যোজাতকে নিয়ে রোদের মধ্যে দাঁড়ানো উচিত নয় তার পক্ষে। এই ছবি দুটো প্রশ্ন তুলেছে। এক, হয় কর্মরত মায়েদের পক্ষে এমন কিছু নিয়ম বানাতে হবে যাতে তার কাজের সময় সে পাশে কাউকে পায় সন্তানের দেখভালের জন্যে অথবা দুই, এমন পরিস্থিতি যেন ও তৈরি না হয় যেখানে সেই মাকে এতটা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি না হতে হয়। যদিও সর্বোপরি, এই নারীর অসীম ক্ষমতা ও সাহসিকতা ট্রে প্রতি একরাশ শ্রদ্ধা এনে দিচ্ছে।

এক হাতে সন্তান, আরেক হাতে দেশ, প্রখর সূর্যের তেজের মধ্যে দাঁড়িয়ে দুইদিক সামলানো খুবই কষ্ট। তবে হতেই পারে তার মতো এমন অনেক মাই এভাবে সন্তানকে বুকে আগলে কাজ করেছেন যতদিন না সে চলতে শিখেছে। তাই একদিকে যেখানে এই মহিলার প্রতিকূলতাগুলি স্পষ্ট, অন্যদিকে আবার এটাও বলতে হয় যে এই মহিলার হাজারটা মা প্রতিদিন কাঁধে সন্তানকে নিয়ে প্রতিদিন কাজের বোঝা টানতে বাধ্য। কারুর কারুর ক্ষমতা নেই যে সে তার অনুপস্থিতিতে সন্তানকে দেখাশোনার জন্যে কাউকে রাখতে পারবে।

আরো পোস্ট- 

ব্রেকআপের পর এসব করছেন…সাবধান হন এখন থেকেই

তবে যেখানে আপনার সেই সুবিধে রয়েছে সেখানেও কি যায়নি বুক ঠুকে বলতে পারবেন এমন একটা সময় নেই যখন সন্তানের জন্যে আপনার চিন্তা হয় না বা সে কখন কী খাবে বা তার যখন যেটা দরকার তখন সেটা পূরণ হলো কীনা সেই চিন্তা আসে না? সময় সবসময় আমাদের পক্ষে থাকে না বা কাজ আর সন্তানের মাঝের সরু বিভেদরেখাটা পেরিয়ে যাওয়াটাই আমাদের কর্ম-ধর্ম। এমন একটা দিন আসবে যেদিন এই পুলিশটির কাঁধের শিশুটি বড়ো হবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভাইরাল হওয়া মায়ের নিষ্ঠা দেখে গর্বিত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।