স্টাফ রিপোর্টার, পূর্ব বর্ধমান: জিএসটি লাগু হলেও তা নিয়ে বিভ্রান্তি এখনও কাটেনি আমজনতা থেকে ব্যবসাদারদের মধ্যেও। জিএসটি নিয়ে এই বিভ্রান্তি দূর করতে বুধবার বর্ধমান জেলার ব্যবসায়ী বিভিন্ন সংগঠনকে নিয়ে কর্মশালা করল বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

বর্ধমানের জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব এদিন জানান, জিএসটি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতেই এই কর্মশালা তাঁরা করেছেন। এটা ধারাবাহিকভাবেই তাঁরা করবেন। এদিকে, জিএসটি নিয়ে যখন বুধবার জেলা প্রশাসন কর্মশালা করেছেন, সেই সময় খোদ বর্ধমান শহরের খুচরো ওষুধের দোকানদাররা জিএসটির ধাক্কায় রীতিমত কোণঠাসা হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

এমনিতেই জিএসটির জন্য বাজার থেকে বহু ওষুধই অমিল। তা নিয়ে রীতিমত চাপানউতোর চলছেও। ওষুধের পাইকারি থেকে খুচরো দোকানদাররা রীতিমত অস্বস্তির মধ্যেই দিন কাটাচ্ছেন। এদিকে, এরই পাশাপাশি বুধবার বর্ধমানের খোসবাগানের একটি ওষুধ দোকানের মালিক শান্তনু পাঁজা জানিয়েছেন, নিয়মানুযায়ী তাঁরা যে সমস্ত ওষুধ বিক্রি করেন, সেই সমস্ত ওষুধ মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে তা সংশ্লিষ্ট পাইকারি দোকানদারদের ফেরত দেওয়া হয়।

বর্ধমান শহরের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহের মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার পরপর তিনদিন। তিনি জানান, কিন্তু জিএসটির পর থেকেই পাইকারি দোকানদাররা ওই মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ আর ফেরত নিচ্ছেন না। ফলে ধীরে ধীরে সমস্যা বাড়ছে। তিনি জানান, গড়ে প্রতিমাসে প্রায় ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ মাল বার হয়। কিন্তু গত প্রায় এক মাস ধরে সেই মাল ফেরত না নেওয়ায় তাঁরা সংকটে পড়েছেন।