নয়াদিল্লি: দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন বিরোধিতা করল সরকার প্রস্তাবিত কর্মচারি এবং নিয়োগকর্তার ইপিএফ কনট্রিবিউশন কমানোর ক্ষমতা সংক্রান্ত বিলটির ৷ প্রস্তাবিত সংশোধনের মাধ্যমে সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের হাতে পাওয়া বেতন বৃদ্ধি পাবে ৷ এই সংশোধনী প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনার জন্য শ্রমমন্ত্রকের ডাকা ২৪ সেপ্টেম্বরের বৈঠকটি বয়কট করে দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন৷

হিন্দ মজদূর সভার সাধারণ সম্পাদক এইচ এস সিন্দু সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, আরও অন্য কিছু সংশোধনের পাশাপাশি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কর্মী ও মালিকের ইপিএফ কনট্রিবিউশন কমানোর ৷ আর তা হলে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (ইপিএফও) সামাজিক সুরক্ষার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে বলে তিনি জানান৷

বিভিন্ন ইউনিয়ন ইতিমধ্যেই দাবি করেছে এই সংশোধনী প্রস্তাব বাতিল করার৷ সেকশন ৬  অনুসারে কেন্দ্রীয় সরকার কর্মী ও নিয়োগ কর্তার পিএফ জমার পরিমাণ ১২ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে পরিবর্তন করতে পারে যখন মনে করবে তা দরকার৷ আর এমন পদক্ষেপ করা হলে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাটা নির্মূল করার নির্মম প্রচেষ্টা বলে মনে করে যৌথ ভাবে শ্রমমন্ত্রককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে ইউনিয়নগুলি৷

ইউনিয়নের মতে, এটা হল ভয়ংকর বিধান যার মাধ্যমে চেষ্টা করা হচ্ছে ইপিএফের কফিনে শেষ পেরেক পোঁতার৷ কারণ সরকার ঘোষণা করছে যে কোনও সময় যে কোনও শ্রেনীর কর্মীকে যে কোনও হারে পিএফ জমা করার৷ অন্য ভাবে বলতে গেলে এই সংশোধনের ফলে সরকার কর্মী এবং নিয়োগকর্তা উভয়কেই ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে যখন যেরকম পিএফে টাকা জমা করার৷ ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিশেষ ভাতাকে মূল বেতনে যুক্ত করা যার ভিত্তিতে ইপিএফ কন্ট্রিবিউশন করা হয়৷

তাছাড়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন আইএনটিইউসি-কে বৈঠকে না ডাকায় ত্রিপাক্ষীয়তার চেতনার ক্ষেত্রে অন্তরায় বলে মনে করছে বিভিন্ন ইউনিয়নগুলি এবং তারজন্য এই বৈঠকে তারা অংশ নিল না৷