নয়াদিল্লি : চিনা পণ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে খুব একটা ভালো করেনি ভারত। চিনের ক্ষতি করতে চেয়ে নিজেদের ক্ষতি যেন তারা না করে বসে। কার্যত এই ভাষাতেই সতর্ক করল চিন। বৃহস্পতিবার ভারতে চিনা দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক ম্যাগাজিনে এই বক্তব্যই রাখেন চিনা রাষ্ট্রদূত সান উইডং।

তিনি জানান, চিনা পণ্য আমদানি বন্ধ করায় ক্ষতি হতে পারে ভারতেরও। সেই বিষয়টা যেন ভেবে দেখা হয়। এক প্রবন্ধে উইডং লেখেন ভারত চিনের এই সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে অনেকেই খুশি হচ্ছে। কিন্তু এটা দীর্ঘস্থায়ী নয়। খুব দ্রুত সমস্যা মেটাবে ভারত চিন। তবে বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে, তা সুখকর নয়।

চিনের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করলে ভারতেরও যে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে, তা ভেবে দেখা উচিত। চিনা রাষ্ট্রদূতের দাবি এই মনোভাব কাটিয়ে ওঠা দরকার। দুই দেশকেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা রূপায়নের রাস্তায় হাঁটতে হবে।

গত বছর অক্টোবর মাসে চেন্নাইতে দুই দেশের রাষ্ট্রনেতারা যে পরিকল্পনা ও পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুতের কথা ভেবেছিলেন, এই সময় তা বাস্তবায়িত করা উচিত। উইডংয়ের মতে নয়াদিল্লি ও বেজিং এই বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করুক। চিনা চায় সীমান্তে যেন শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকে।

দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বেশ চিন্তিত বেজিং। আলোচনার সব রাস্তাই ভারতের সামনে খোলা রয়েছে। এর আগে, বুধবার চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র একটি ট্যুইট করেন। সেখানে তিনি বলেন সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে কথা চলছে দুই দেশের।

আশা করা যায় এরপরে নতুন করে সীমান্তে অস্থিরতা বাড়াবে না ভারত। তিনি বলেন এক ভারতীয় সূত্র তাঁকে এই বিষয়ে জি়জ্ঞাসা করছেন, ভারত চিন সংঘাত কতদিন চলবে। মুখপাত্র জি রাং এদিন বলনে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করেন।

রাংয়ের কথায় ভারত চিন দুই দেশই চায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে। আপাতত সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রয়েছে। সেই পরিস্থিতিই আগামী দিনে বজায় থাকবে বলে আশা করা যায়।

তিনি বলেন প্রয়োজনে ভারত ও চিন একাধিক বৈঠকে বসতে পারে। সবধরণের রাস্তা আলোচনার জন্য খোলা রয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব সব সময়ই মেনে নিয়েছে চিন। তাই ভারতের উচিত সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার সব রকম চেষ্টা করা, আরও উদ্যোগী হওয়া।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা