নয়াদিল্লি: বাইরের দেশের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। স্লোগান উঠেছে ‘ভোকাল ফর লোকাল’। মোদী সরকার জোর দিতে চেয়েছেন দেশীয় পণ্য উৎপাদন এবং বিক্রির উপর। কিন্তু এই পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির ক্ষেত্রে লাইসেন্সজনিত কিছু সমস্যার মুখোমুখি প্রতিনিয়ত হতে হয় ব্যবসায়ীদের।

বণিকসভা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই সমস্যার কথা তোলেন কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের সেক্রেটারি জেনারেল প্রবীণ খান্ডেলওয়াল।

তার বক্তব্য, পণ্য উৎপাদন অথবা বিক্রির জন্য এদেশে এখনও ২৮টি লাইসেন্স দরকার হয়। এগুলির অনেকগুলি অপ্রয়োজনীয় বলে তার অভিমত। স্বাধীনতার আগে থেকেই একাধিক লাইসেন্স চলে আসছে যেগুলি আজ একেবারেই প্রাসঙ্গিক নয়।

এই লাইসেন্স পাওয়ার জন্য হয়রানি দৌড়োদৌড়ি করতে হয়। তার প্রশ্ন, আর এই লাইসেন্সের জন্য যদি ব্যস্ত থাকতে হয় তাহলে মন দিয়ে ব্যবসা করবে কিভাবে? ফলে ব্যবসার সুবিধার্থে লাইসেন্স সরলীকরণের দাবি তুলেছেন তিনি।

এই ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিমত, লাইসেন্স প্রথা সরলীকরণ না করলে সমস্যা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই থেকেই যাবে। বর্তমানে ১৩০ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে সাত কোটি ট্রেডার্স রয়েছেন। এরাই কিন্তু ব্যবসার মূল লাইফ লাইন বলে দাবি করা হয়েছে। দেশীয় পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে এই ট্রেডারদের একটা ভূমিকা আছে। এরা সকলকেই বিপণন দূত হিসেবে দেখা উচিত।

বণিকসভা এক কর্তার বক্তব্য, করোনার সংকট মানুষের ব্যবহারিক জীবনে অনেক পরিবর্তন এনে দিয়েছে। শপিং মল এবং বড় মার্কেট গুলি বন্ধ থাকায় পাড়ার দোকান গুলির গুরুত্ব বেড়েছে। সময় পরিস্থিতি ক্রেতার মনোভাবের পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I