নয়াদিল্লি: কোন দিকে থাকবে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরা? চিরাচরিত সেনা ও সাংস্কৃতিক কুচকাওয়াজ নাকি কৃষি আইন বিরোধী ট্রাকটর মিছিল? এই প্রশ্ন উঠছে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর এমন বিদ্রোহী আবহে সাধারণতন্ত্র দিবস আগে পালিত হয়নি।

দিল্লির উপকণ্ঠে থাকা লক্ষ লক্ষ কৃষকরা ২৬ জানুয়ারি দিবস পালনে ও কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের উপর আইন বাতিলের চাপ ধরে রাখতে শান্তিপূর্ণ ট্রাকটর মিছিল করবেনই, এই অবস্থানে অনড়।

যদিও দিল্লি পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে কৃষকসভা সহ সবকটি কৃষক সংগঠনের দাবি পুলিশ অনুমতি দিয়েছে। দিল্লির চারদিকে আউটার রিং রোড ধরেই হবে লক্ষাধিক ট্রাকটরের মিছিল।

পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের নেতাদের দাবি, দিল্লি পুলিশ লাঠি, গুলি জলকামান, কাঁদানে গ্যাস যা খুশি প্রয়োগ করতে পারে তাতে ট্রাকটর মিছিল থামবে না।

কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে ঘেরাও করা লক্ষ লক্ষ কৃষকদের যৌথ মঞ্চ এআইকেএসসিসি জানিয়েছে, পাঞ্জাব ও হরিয়ানার দিক থেকে অন্তত ৫০ হাজার ট্রাকটর আসছে। চলছে ট্রায়াল রান।

তবে সরকারের সঙ্গে কোনও আপোষে যেতে রাজি নয় কৃষক সংগঠনগুলি। সারা ভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা জানিয়েছেন, আইন বাতিল করতেই হবে সরকারকে। আন্দোলন আরও তীব্র হবে।

এদিকে ২৬ জানুয়ারি কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল ঘিরে টানাপোড়ন অব্যহত। দিল্লি পুলিশ এবং কৃষক নেতাদের বক্তব্য মিলছে না। কৃষক নেতাদের মতে, পুলিশ অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু পুলিশের দাবি, তাঁরা এখনও কৃষকদের মিছিলের রোড ম্যাপের জন্য অপেক্ষা করছেন।

শনিবার কৃষকদের সংগঠন এবং দিল্লি পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে এই মিছিলের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সন্ধ্যার শেষ দিকে কৃষক নেতারা দাবি করেন, কৃষকদের দিল্লির রাস্তায় ট্রাক্টর চালাতে দেখা যাবে। এব্যাপারে নাকি দিল্লি পুলিশের অনুমতি মিলেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।