নয়াদিল্লি:সরকার আসন্ন বাজেটে খেলনা শিল্পের জন্য নীতি আনতে পারে যাতে দেশিয় এই শিল্পকে উজ্জীবিত করতে পারা যায়।সূত্রের খবর এই নীতি আসলে খেলনা শিল্পের জন্য একটা পরিবেশ সৃষ্টি করবে এবং বিশেষত এই ক্ষেত্রে দেশের স্টার্টআপ সংস্থাগুলিকে আকৃষ্ট করবে।বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে দেশিয় খেলনা উৎপাদনকারী সংস্থাকে তুলে ধরতে। এই ক্ষেত্রে গুণগতমান বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ করা হয়েছে এবং গত বছর খেলনার আমদানির উপর শুল্ক বাড়ান হয়।

গুণগত মান বজায় রাখার দিকটা জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে দেশিয় বাজারটা সস্তার খারাপ মানেন খেলনায় ভরে না যায়।সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক খেলনা শিল্প ক্ষেত্রে ভারতের অংশিদারিত্ব খুবই কম এবং ভারতের খেলনা রফতানির পরিমাণ গোটা পৃথিবীর ০.৫ শতাংশ।এরফলে এই ক্ষেত্রে ভাল সুযোগ রয়েছে।

এই বিষয়ে দেখতে হবে যেসব দিকগুলি সেগুলির মধ্যে রয়েছে, এই শিল্পে গবেষণা ও উন্নয়নে এবং খেলনা শিল্পের জন্য ডিজাইন কেন্দ্র গড়ে তোলা। মনে করা হচ্ছে উৎপাদনে উৎসাহিত করা গেলে ভারত থেকে খেলনা রফতানি বাড়াতে সহায়তা করবে। চিন এবং ভিয়েতনাম হল এই ক্ষেত্রে প্রধান দুটি দেশ।
ভারতে খেলনা রফতানির পরিমাণ ১০০ মিলিয়ন ডলারে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এদেশে খেলনা শিল্প প্রধানত অসংগঠিত ক্ষেত্র যাতে রয়েছে ছোট ও মাঝারি মিলিয়ে প্রায় ৪০০০সংস্থা।

এদেশে প্রায় ৮৫ শতাংশ খেলনা আমদানি করা হয়ে থাকে ।এর সিংহ ভাগ আসে চিনি থেকে। তাছাড়়া অন্যান্য দেশগুলি হল -শ্রীলঙ্কা,মালয়েশিয়া,জার্মানি,হংকং,এবং ইউএস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন,ভারতে মেধা ও ক্ষমতা রয়েছে যার জন্য এখানে গোটা বিশ্বের টয় হাব হয়ে উঠতে পারে এবং নতুন স্টার্ট আপ সংস্থাগুলিকে আহ্বান জানিয়েছেন এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।