স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: রূপসী ডুয়ার্স এখন রীতিমত অপরূপা। শরতের বিদায়ে হেমন্তের শুরুতে ডুয়ার্সের রূপ লাবণ্য যেন এখন আরও বেশি উছলে পড়ছে।

লাটাগুড়ি, চালসা, চাপড়ামারী, গরুমারা, ধূপঝোরা সর্বত্রই এখন পর্যটকদের ঢল নেমেছে।

দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা বাগান। পাশে গরুমারার জঙ্গল। ঝোরা বা নদীর লাগোয়া গ্রামের গা ঘেঁষে রয়েছে চোখ জুড়ানো ছোট পাহাড়।

ডুয়ার্সের এমন মনোরম পরিবেশে রবিবার পর্যটকদের ভিড় ছিল নজরকাড়া।

পড়ন্ত বিকেলে গরুমারার মূর্তি নদী পাড়ের গাছ বাড়িতে কয়েকজন পর্যটক আপ্লুত হয়ে বলেন, ”আমরা সত্যিই অভিভূত। গাছগাছালিতে ভরা এই জঙ্গলের নৈঃশব্দের একটা আলাদা অনুভূতি। হাতি সাফারি, কার সাফারিতে গিয়ে নজরে এসেছে হাতি, বাইসন, ময়ূর, হরিণ, গন্ডার সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীদের। এখানকার সকলের ব্যবহারে আমরা খুশি।”

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামতেই গাছ বাড়িতে বসেছে ধামসা মাদলের যুগল বন্দীর সঙ্গে আদিবাসী নৃত্যের আসর।

এছাড়াও দোতারা ও বাঁশির মনমাতানো সুরে ছড়িয়ে পড়েছে সোঁদা মাটির গন্ধে ভরা উত্তরবঙ্গের চিরায়ত লোকসংস্কৃতি। পর্যটকদের ভিড় সংশ্লিষ্ট এলাকার আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটেও বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে বলে অভিমত তথ্যভিজ্ঞ মহলের।