বাসুদেব ঘোষ, সিউড়ি: বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে পর্যটকরা গিয়ে পাচ্ছেন না শৌচাগার৷ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের৷ শীত পড়লেই বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে দূর দূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসেন৷ প্রতি বছরই শীতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে৷

রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়তেই নতুন বছরে ঠিক আগেই পর্যটকেরা আসতে শুরু করেছেন বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে। কিন্তু এখানে এসেই পর্যটকেরা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন৷ কারণ বীরভূম জেলা পরিষদ কর্তৃক বক্রেশ্বর পর্যটন কেন্দ্রে ২০১৭ সালে তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল সুলভ শৌচাগার৷ আর সেই শৌচাগারই এখন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তালা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পর্যটকদের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।

শৌচাগারটিতে পুরুষের জন্য তিনটি কক্ষ এবং মহিলার জন্য তিনটি কক্ষ বানানো হয়েছিল৷ পরে অবশ্য তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সামান্য মূল্যে ধার্য করা হয়েছিল৷ বর্তমানে সেই শৌচাগারটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রায় ছয় মাস ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে৷ মূলত শীতের মরসুমে রোজই প্রায় আট থেকে দশ হাজার পর্যটক এই বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে বেড়াতে আসেন৷ শৌচাগার না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা৷

পর্যটক মিতালী দাস জানান, এখানে এসে দেখছি শৌচাগারের কোন ব্যবস্থাই নেই৷ সমস্ত শৌচাগারই তালাবন্ধ৷ আমরা চাইছি রাজ্য সরকার এর কোনও একটা ব্যবস্থা করে৷ কলকাতা থেকে আসা পর্যটক পূজা মল্লিক জানান, বক্রেশ্বরে বেড়াতে এসেছিলাম৷ এখানে এসে দেখলাম শৌচাগারের কোনও ব্যবস্থাই নেই৷ এখানে যে শৌচাগারটি রয়েছে সেটিও তালাবন্ধ৷ আমাদেরকে টাকা দিয়ে বাইরে শৌচালয়ে যেতে হচ্ছে৷ সেটিও খুব একটা পরিষ্কার নয়৷ বক্রেশ্বরের মতো একটি জায়গায় এসে এই ধরনের জিনিস দেখবো সেটা আশা করতে পারেনি৷

বক্রেশ্বরের প্রতিবেশী জয়ন্ত আচার্য জানান, পর্যটন পরিষেবা আরও উন্নত করা হোক৷ এই সময়েই পর্যটকরা বেশি আসেন বক্রেশ্বরে। তাই শৌচাগারটি দ্রুত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে খুলে দেওয়া হলে পর্যটকদের আর অসুবিধা হবে না৷ শৌচাগারটির হাল কবে ফিরবে সেটিই এখন দেখার বিষয়৷