জলপাইগুড়ি: আনন্দময়ীর আগমনের আর দিন কয়েক বাকি। দেবীপক্ষ পড়ে গেছে। যদিও পুজোর ছুটি পেতে আরো দুএক দিন অপেক্ষা করতে হবে বাঙালিকে। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টিতে পুজোর আমেজটাই যেন মাটি হতে বসেছে সবার। পুজো মানেই আনন্দ এবং ছুটি। আর বাঙালির কাছে ছুটি মানেই দে ছুট। বাঙালির বড় প্রিয় শৈলরানী দার্জিলিং।

দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসা তুঙ্গে ওঠার এখন‌ই সময়। পর্যটকেরা আসতেও শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু বৃষ্টিস্নাত দার্জিলিং হতাশ করছে তাদের। দিনভর বৃষ্টি শৈলশহরে। পাহাড়ের আকাশ ঘন মেঘে ঢাকা। এই আবহাওয়ায় টাইগার হিল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার আশা দূর কি বাত শৈলশহরের দ্রষ্টব্য স্থান গুলিই দেখে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না পর্যটকদের। তাই পাহাড়ের ধূসর আকাশের মতোই মনের অবস্থা দূর দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের।

পাহাড়ের গা বেয়ে জলের ধারা ঝড়ছেই। উৎসাহী পর্যটকদের কেউ কেউ ছাতা মাথায় কেউ আবার শরীরে বর্ষাতি চাপিয়েই শৈলরানীর রাস্তায় নেমে পড়েছেন। দিন ভালো থাকলে যে সব জায়গায় পর্যটকদের ঢল নামার কথা সেখানে দিনভর হাতে গোনা দুই চারজন মানুষ। দুচোখ ভরে শরতে পাহাড়ের রূপ দেখতে না পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ পর্যটকদের।

পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন ঠান্ডা ঠান্ডা। কাজেই এই পুজো মরশুমে চুটিয়ে ব্যবসা করার আশা করছেন দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে সমস্ত মানুষ। প্রকৃতি শীঘ্রই প্রসন্ন হবে এবং শরতের রৌদ্র মাখা মায়াবী পাহাড়ে দু-এক দিনের মধ্যেই পর্যটকদের ঢল নামতে শুরু করবে এখন এই প্রতীক্ষাতেই পাহাড়ের মানুষ।