বিশেষ প্রতিবেদন: বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। শীতের ভ্রমণ নিয়েও আলাদা একটা উন্মাদনা কাজ করে ভ্রামণিকদের মধ্যে। কারণ, শীতকালেই সব চেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ল্যান্ডস্কেপ। ভ্রমণ রসিকরা তাই বেরিয়ে পড়েন জঙ্গলে পাহাড়ে। এবার তো শীত চলে যেতে বসেছে! তাহলে এবার আপনার ভ্রমণ গন্তব্য কী হবে?

বেড়ানোর অন্যতম সেরা ঠিকানা তাকদা। কলকাতা থেকে মাত্র এক রাতের সফরে আপনি পৌঁছে যেতে পারেন এই জায়গায়। রাত ১১ টা বেজে ২০ মিনিটের পদাতিক এক্সপ্রেসে চাপুন শিয়ালদহ থেকে। পরের দিন সকালেই নিউ জলপাইগুড়ি। ট্রেন থেকে নেমে ভড়া গাড়ি করে সহজেই পৌঁছে যান তাকদায়। ট্রেনে আগে থেকে রিজারভেশন করা থাকলে ভালো।

সাধারণ মানুষের কাছে অপরিচিত হলেও জায়গাটি পর্যটন মানচিত্র জুড়ে উজ্জ্বল ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ভ্রমণরসিকদের কাছে ইদানীং বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছে। যাঁরা অফবিট জায়গায় বেড়ানে ভালোবাসেন, তাঁদেরও পছন্দ হবে তাকদার নৈসর্গিক সুন্দর্য। তাই কর্মক্ষেত্রের প্রেসার থেকে রিলিফ পেতে ডানা মেলুন দু’দিনের জন্য। নিজেকে মুক্ত পাখির মতো উড়িয়ে দিন এই পাহাড়ি ঠিকানায়।

নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়িতে দার্জিলিং যেতে সময় লাগবে ৩ ঘণ্টা। আর দার্জিলিং থেকে তাকদার দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। তাগদায় রয়েছে সুবিস্তৃত চা বাগান। তবে মনে রাখতে হবে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ আস্বাদন করা যায় না। কিন্তু তাতে কী? তাকদার বাঁকে বাঁকে ছড়িয়ে রয়েছে পাহাড়ি সৌন্দর্য। সন্ধে বেলায় ঘরে ঘরে আলো জ্বলে উঠলে জায়গাটিকে দেখতে লাগে দারুণ।

সবুজের কোলে ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক ট্রাভেল ডেসটিনেশন। হাতে সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন রংবুল, লামাহাট্টা এবং দাড়া থেকে। তাকদায় এখন গড়ে উঠেছে কয়েকটি হোম স্টে। রংলি রংলিয়ট চা বাগিচা থেকে ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ভনজং বাজার ক্রসিং ভিউ পয়েন্ট। হাতে দূরবীন থাকলে সহজেই দেখে নিতে পারেন কালিম্পং, রাম্বি খোলা, টাইগার হিল ইত্যাদি। তাগদা বাজারের কাছেই রয়েছে অর্কিড সেন্টার। সেখানে গেলে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। এখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে রংবেরঙের অর্কিড।

তাকদায় রয়েছে একটি মনাস্ট্রি। সেখানে বসবাস করেন গুটিকয় লামা। সবুজের কোলে এই নির্জন মনাস্ট্রি একেবারেই কোলাহলমুক্ত। মানাস্ট্রির দাওয়ায় কিছুক্ষণ বসে থাকলে মনে আসবে প্রশান্তি। তাকদা থেকে তিন কিলোমিটার দূরে তিনচুলে। এই জায়গাটিও পর্যটকদের কাছে বেশ প্রিয়। তাকদায় থাকার সেরা ঠিকানা হেরিটেজ বাংলো। বাংলোটির আতিথেয়তা এবং সৌন্দর্য অতুলনীয়। এখানে রাত্রিবাসের অভিজ্ঞতা সারা জীবন ভোলার নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.