বিশেষ প্রতিবেদন: নির্জন পরিবেশের কারণে ইতিমধ্যেই এই জায়গাটি পর্যটন মানচিত্রে পরিচিত হয়ে উঠেছে। কলকাতা থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরের মৌসুনী আইল্যান্ডে পৌঁছনো যায় সহজেই। শান্ত সমুদ্র সৈকতে অবকাশ যাপন করতে আপনার মন্দ লাগবে না। এখানে বেড়াতে গেলে মনে আসে প্রশান্তি।

শান্ত সমুদ্রে স্নান বেশ আনন্দদায়ক। সৈকতে রয়েছে সারি সারি ডাবের দোকান। ডাবে চুমুক দিতে দিতে সৈকতে বসে থাকার আনন্দও তুলনাহীন। অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্র-স্নান উপভোগ করতেই মৌসুনী দ্বীপে পর্যটকের ঢল নামে। মোহনার কাছেই সমুদ্র বলে এখানে বেশি ঢেউ লক্ষ্য করা যায় না। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ট্রেনে লক্ষ্মীকান্তপুর হয়ে নামখানা যাওয়া যায়। সেখান থেকে ম্যাজিক ভ্যানে হুজ্জুতি ঘাটে পৌঁছন। সেখান থেকে নৌকোয় চেনাই নদী পেরিয়ে টোটোয় চেপে মৌসুনী দ্বীপে পৌঁছনো যায়।

এখন এখানে গড়ে উঠেছে নানা মানের রিসর্ট। সাধ্য মতো থাকার জায়গা খুঁজে নিন। তবে আগে থেকে বুকিং থাকলে ভাল। খাবারের মধ্যে নানা রকম সামুদ্রিক মাছ মেলে স্বাভাবিক ভাবেই। থাকার খরচ ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।

এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা মৎস্য ব্যবসা। সারা বছরই যাওয়া যায় মৌসুনী দ্বীপে। তবে শীতকালের ভ্রমণ বেশ আনন্দদায়ক। যতদূর দৃষ্টি যায় শুধুই সমুদ্র চোখে পড়ে। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালবাসেন তাদের কাছে ছুটি কাটানোর সেরা জায়গা হতে পারে মৌসুনী দ্বীপ। রয়েছে প্রচুর গাছপালা। এখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা সারা জীবন মনে রাখার মতো। তাহলে আর দেরি কেন? আজই আপনার ট্যুর প্ল্যান করে ফেলুন।