বিশেষ প্রতিবেদন: প্রতিদিনের কাজের চাপে জীবন হয়ে ওঠে একঘেয়ে। উইকএন্ডে তাই বেড়িয়ে পড়তে ইচ্ছে করে অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। হোক ছোট্ট ছুটি! তবু, প্রকৃতির স্বাদ নেওয়া চাই। প্রকৃতির সংস্পর্শেই মন হয়ে ওঠে চনমনে। সে কারণেই সুযোগ পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় প্রকৃতির কাছে।

এই বড়দিনের ছুটিতে আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হোক লাহুল-স্পিতি। এখানে বেড়াতে গেলে মন হয়ে উঠবে চনমনে। বেড়াতে যাওয়া বাঙালির প্রিয় অভ্যাস। সিমলা-মানালি বহুদিন ধরেই পর্যটন মহলে সুপরিচিত। স্নো ফলের জন্য এখানে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া ছড়িয়ে রয়েছে আদিগন্ত প্রকৃতি। যারা ভ্রমণ ভালবাসেন, তাদের ভীষণ ভাল লাগবে লাহুল-স্পিতি। চারদিকে সুউচ্চ পাহাড়। জায়গাটি প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রিয় ভ্রমণক্ষেত্র।

এখানে বেড়াতে গিয়ে এক অদ্ভুত অ্যাডভেঞ্চারে মেতে উঠতে পারেন। লাহুল-স্পিতি নদীর দুরন্ত জলে নৌভ্রমণে ভেসে বেড়াতে পারেন। মূলত অ্যাডভেঞ্চার-প্রেমীরা এই ভ্রমণের স্বাদ নিন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই পরে নিতে হবে লাইফ জ্যাকেট। এখানে ঘুরে মন ভাল করে নিন। এছাড়া পাহাড়ি রাস্তার নৈসর্গিক দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

হাওড়া থেকে ট্রেনে চণ্ডীগড়। সেখান থেকে মানালি হয়ে লাহুল-স্পিতি পৌঁছনো যায়। এই কুয়াশামাখা হিমশীতল জায়গায় ভালই কাটবে বড়দিনের ছুটি। কাছাকাছির মধ্যে রয়েছে অনেক ভ্রমণ-ঠিকানা। এমনিতেই প্রকৃতি ঢেলে সাজিয়েছে হিমাচলের রূপ। এবার সেই রূপের আস্বাদ নিন আপনিও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.