বিশেষ প্রতিবেদন: বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। শীতের ভ্রমণ নিয়েও আলাদা একটা উন্মাদনা কাজ করে ভ্রামণিকদের মধ্যে। কারণ, শীতকালেই সব চেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ল্যান্ডস্কেপ। ভ্রমণ রসিকরা তাই বেরিয়ে পড়েন জঙ্গলে পাহাড়ে। এবার তো শীত চলে যেতে বসেছে! তাহলে এবার আপনার ভ্রমণ গন্তব্য কী হবে?

সুযোগ পেলেই অনেকে বেরিয়ে পড়েন প্রকৃতির টানে। উইকএন্ড কিংবা ছোট ছুটিতে প্রকৃতির বুকেই অবকাশের ঠিকানা খুঁজে নেন ভ্রমণরসিকরা। পর্যটনে আগ্রহীরা তাই সারা বছর ধরেই ক্যালেন্ডারের দিকে তাকিয়ে থাকেন। হোক ছোট ট্যুর, তবু সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়া চাই। এবার তাহলে আপনার বেড়ানোর ঠিকানা হোক দক্ষিণ সিকিমের কেউজিং। রাবাংলা থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম কেউজিং। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালোবাসেন তাদের কাছে কেউজিং হয়ে উঠতে পারে সেরা ঠিকানা।

সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় থাকে রাবাংলায়। কিন্তু, অনেকে জানেনই না সামান্য দূরেই রয়েছে পাহাড়ি নির্জন ঠিকানা কেউজিং। সব মিলিয়ে দিন কয়েকের ছুটির জন্য আশ্রয় নিতে পারেন এই পাহাড়ি গ্রামে। মৈনাক পর্বতের পাদদেশে ৭০০ ফুট উচ্চতায় এই গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে ধীরে ধীরে পর্যটকদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠছে কেউজিং।

দেখার মধ্যে রয়েছে একটি মনাস্ট্রি। সামান্য দূরে গেলেই টেমি টি গার্ডেন। যারা ট্রেক করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য রয়েছে ছোট-বড় ট্রেক রুট। শিয়ালদহ থেকে রাত সাড়ে আটটার ১৩১৪৯ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস উঠুন। পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে সরাসরি কেউজিং গ্রামে যাওয়া যায়। দূরত্ব ১৩০ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগে আনুমানিক ৮ ঘণ্টা। এখানে এখন গড়ে উঠেছে ছোট-বড় নানান হোম স্টে। চাহিদামত থাকার জায়গা খুঁজে নিন। ভাড়া ১৫০০ টাকার মধ্যে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.