বিশেষ প্রতিবেদন: বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। শীতের ভ্রমণ নিয়েও আলাদা একটা উন্মাদনা কাজ করে ভ্রামণিকদের মধ্যে। কারণ, শীতকালেই সব চেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ল্যান্ডস্কেপ। ভ্রমণ রসিকরা তাই বেরিয়ে পড়েন জঙ্গলে পাহাড়ে। এবার তো শীত চলে যেতে বসেছে! তাহলে এবার আপনার ভ্রমণ গন্তব্য কী হবে?

যে কোনও জায়গায় বেড়াতে যেতে হলে আগে থেকে প্ল্যানিং দরকার। আগে থেকেই টেনের টিকিট ও হোটেল বুকিং প্রয়োজন। এবার আপনার ডেসটিনেশন হিল স্টেশন কার্শিয়াং। কলকাতা থেকে মাত্র এক রাতের সফরে পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। একবার ঘুরেই আসুন কার্শিয়াঙে। উঁচুনিচু পাহাড় আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

কার্শিয়াঙে রয়েছে দেখার মতো চা-বাগান। অসাধারণ সড়কের কারণে সারা ভারতের সঙ্গেই কার্শিয়াঙের নিবিড় যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। কলকাতা থেকে ট্রেনে চেপে শিলিগুড়ি পৌঁছলেই হল। সেখান থেকে এক ঘণ্টার সফরে আপনি পৌঁছে যাবেন এই শীতল জায়গায়। শিলিগুড়ি থেকে টয়ট্রেনেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে অনেক আগে থেকে রিজার্ভেশন করে রাখতে হবে। কার্শিয়াং থেকে ১,২০০ ফুট উঁচুতে রয়েছে পর্যটনের নিসর্গভূমি ডাউহিল। এখানে গড়ে উঠেছে দু’টি উন্নতমানের স্কুল। সারা দেশের প্রচুর মেধাবী ছাত্রছাত্রী স্কুল দু’টিতে পড়তে আসে সারা বছর।

পাহাড়ের মাঝখানে দুটোদিন কাটাতে আপনার ভালোই লাগবে। রয়েছে সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি এবং ডিয়ার পার্ক। ভাগ্য ভালো থাকলে বা আকাশ ভালো থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মিলবে। কীভাবে যাবেন: কালকাতা থেকে ১৩১৪৯ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে চেপে পরদিন নিউ জলপাইগুড়িতে নামুন। সেখান থেকে বাসে/ টয়ট্রেনে/ ভাড়া গাড়িতে কার্শিয়াং পৌঁছন। শিলিগুড়ি থেকে রোহিণী হয়ে কার্শিয়াং যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক। কোথায় থাকবেন: কার্শিয়াঙে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের একাধিক হোটেল রয়েছে। বাজেট অনুযায়ী হোটেল ঠিক করুন।