বিশেষ প্রতিবেদন: বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। শীতের ভ্রমণ নিয়ে আলাদা একটা উন্মাদনা কাজ করে ভ্রামণিকদের মধ্যে। কারণ, শীতকালেই সব চেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ল্যান্ডস্কেপ। ভ্রমণ রসিকরা তাই বেরিয়ে পড়েন জঙ্গলে-পাহাড়ে।

এবার শীতে আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হতে পারে দক্ষিণ সিকিমের বোরং। রাবাংলা থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরেই এই জায়গাটি। হানিমুনের ডেসটিনেশন হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে বোরং। রয়েছে রালোং মানাস্ট্রি। নৈসর্গিক শোভার কারণেই এখানে ছুটে যান পর্যটকরা। ছবির মতো সুন্দর এক গ্রাম। পাহাড়ি পরিবেশ মন ভাল করে দেয়।

বোরং গেলে মন হয়ে উঠবে চনমনে। জায়গাটি নির্জন এবং কোলাহলমুক্ত। পাশেই রয়েছে আরও কয়েকটি গ্রাম। সেখানেও গাড়ি করে ঘুরে আসতে পারেন। গাড়ি ভাড়া পড়বে ১৫০০ টাকার মধ্যে। সিকিমের পাহাড়ি প্রকৃতি বহুদিন ধরেই পর্যটকরা উপভোগ করে আসছেন। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালবাসেন তাদের খুব ভাল লাগবে জায়গাটি।

এই শৈল জায়গাটি নির্জানতাপ্রিয়দের কাছে আদর্শ হয়ে উঠেছে। রয়েছে রডোডেনড্রনের, ফার, ওক ও হেমলক ঘেরা জঙ্গল। রাতের অন্ধকারে অজস্র জোনাকি ঘুরে বেড়ায়। এ দৃশ্য দেখতে লাগে দারুণ। দিনের আলোয় এই পাহাড়ে দাঁড়িয়ে অপরূপ কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ উপভোগ করা যায়।

শিয়ালদহ থেকে রাত ৮ টা বেজে ৩০ মিনিটের ১৩১৪৯ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ধরুন। পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি নামুন। সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে সরাসরি বোরং পৌঁছনো যায়। স্টেশনের বাইরে ভাড়া গাড়ি মেলে। এখন এখানে নানা মানের হোটেল গড়ে উঠেছে। সাধ্য মতো থাকার জায়গা বেছে নিন। তবে আগে থেকে বুকিং থাকলে ভাল। তাহলে আর দেরি কেন? আজই আপনার ট্যুর প্ল্যান করে ফেলুন।