বিশেষ প্রতিবেদন: উইকএন্ডে বেড়ানোর আদর্শ ঠিকানা ওডিশার বাংরিপোসি। এখনে যেতে হলে, আগে পড়ে নিন বুদ্ধদেব গুহর লেখা ‘বাংরিপোসির দু’রাত্তির’ বইটি। এই বইয়ের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে বাংরিপোসির প্রকৃতি। ঘন সবুজ জঙ্গল, পাহাড়, নদী আর আদিবাসি গ্রাম। শিমলিপাল ফরেস্ট রেঞ্জের উত্তর দিকে ঠাকুরানী পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এই সুন্দরের ঠিকানা– বাংরিপোসি।

কলকাতা থেকে ভাড়া গাড়িতে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে বা পরিবারের সঙ্গে দু’দিনের জন্য বেরিয়ে পড়তে পারেন। মন একেবারে চনমনে হয়ে যাবে। এখানে রয়েছে দেবী বাংরিপোসির মন্দির। মন্দিরের সামনের রাস্তাটি চলে গিয়েছে বিসই হয়ে কেওঞ্ঝারে। এই রাস্তাটি ধরে এগিয়ে গেলে দু’পাশের সবুজ দৃশ্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। তবে সতর্কও থাকতে হবে, কারণ এই রাস্তাটি দিয়ে দেদার হাতি চলাচল করে। এছাড়াও চোখে পড়বে অসংখ্য বাঁদর ও হনুমান।

বাংরিপোসি রেল স্টেশনটিও ছবির মতো সুন্দর। পাথরকুসি, বিদ্যাভান্ডার ইত্যাদি পাহাড় যেন দু’দিক থেকে শাসন করছে বাংরিপোসিকে। এই পাহাড় দুটিই বাংরিপোসির রূপ বাড়িয়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বুদ্ধদেব গুহর বইটি পড়া থাকলে দেখবেন লেখার সঙ্গে প্রকৃতি যেন হুবুহু মিলে গিয়েছে। যা আপনাকে আশ্চর্য করবে। এখান থেকে লাল মাটির পথ ধরে চলে যান ব্রাহ্মণকুণ্ডে। সেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে সারিসারি শাল-মহুয়া। এলোমেলো ঘুরে বেড়ালেই মনে হবে স্বর্গরাজ্যের দুয়ার।

যাঁরা অফবিট ভ্রমণ ভালোবাসেন, বাংরিপোসি তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা। কলকাতা থেকে মাত্র ২৩০ কিলোমিটার দূরে দু’দিনের জন্য ঘুরে আসা যায় অল্প খরচেই। প্রকৃতির নৈকট্য আর ছোটবড় টিলার উঁকিঝুঁকি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষদেরও ভালো লাগবে জায়গাটির নির্জনতা।

বাংরিপোসিতে রয়েছে শিমলিপাল রিসর্ট। এসি, নন এসি দু’ধরনের রুম মিলবে। তবে প্রকৃতির সান্নিধ্যে গিয়ে নন এসি রুমে থাকাই ভালো। সুস্বাদু বাঙালি খাবার পাওয়া যায়। আবার বাজার করে নিজের মতো রান্না করার সুব্যবস্থাও রয়েছে। শিমলিপাল রিসর্টের ফোন নম্বর: ৯৪৩৭৬১২৭৪৭।

এছাড়া ঠাকুরানী পাহাড়ের দিকে যেতে পড়বে দিলখুস ধাবা। এই হোটেলের মাছভাত বাঙালি পর্যটকের কাছে খুবই প্রিয়। বাংরিপোসি বাজারে রয়েছে সন্তোষ হোটেল। সেখানেও ভালো খাবার পাওয়া যায়। তাহলে সপ্তাহান্তে বা ছোট ছুটিতে বেরিয়ে পড়ুন প্রকৃতির মাঝে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.