লন্ডন: টাইব্রেকারে ৫-৪ ব্যবধানে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল টটেনহ্যাম হটস্পার। টাই ভাঙা পদ্ধতিতে চেলসির হয়ে পঞ্চম শটটি ম্যাসন মাউন্ট মিস করতেই কোয়ার্টারে জায়গা পাকা হয়ে যায় হ্যারি কেনদের।

সবধরনের প্রতিযোগীতা মিলিয়ে আটদিনে চারটি ম্যাচ খেলতে হবে স্পারসকে। এদিন চেলসির বিরুদ্ধে লিগ কাপের ম্যাচটি ছিল তার দ্বিতীয় ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই একাদশে একাধিক পরিবর্তন করেন স্পারস ম্যানেজার হোসে মোরিনহো। ঘরের মাঠে শুরুটা এদিন ভালোও হয়নি স্পারসের। ১৯ মিনিটে চেলসির নবাগত টিমো ওয়ের্নারের গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা। অ্যাজপিলিকুয়েতার ডানপ্রান্তিক মাটি ঘেঁষা পাস ধরে বক্সের সামান্য বাইরে থেকে জোরালো ভলিতে চেলসির জার্সিতে প্রথম গোলটি করে যান ওয়ের্নার।

টটেনহ্যাম এদিন তাদের একাদশে ন’টি পরিবর্তন করে খেলা শুরু করে। রেকর্ড চুক্তিতে দলে আসা তাঙ্গুই এনদোম্বেলে এবং আরেক নবাগত সার্জিও রেগুইলনের অভিষেক ঘটে টটেনহ্যাম জার্সিতে। দ্বিতীয়ার্ধে যদিও পরিবর্ত হিসেবে হ্যারি কেন, লুকাস মৌরাদের মাঠে নামান মোরিনহো। ম্যাচ শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে টটেনহ্যামকে সমতায় ফেরান এরিক লামেলা। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামা রেগুইলনের ক্রস থেকেই ৮৩ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান আর্জেন্তাইন মিডফিল্ডার।

নির্ধারিত সময়ে তেকাঠির নীচে লামেলা, রেগুইলনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করলেও টাইব্রেকারে চেলসির নবাগত গোলরক্ষক মেন্ডি বিপক্ষের একটিও শট বাঁচাতে ব্যর্থ হন। টটেনহ্যামের হয়ে এরিক ডায়ের, এরিক লামেলা, পিয়ের এমিলি হোজবার্গ, লুকাস মৌরা এবং হ্যারি কেন গোল করে যান। অন্যদিকে চেলসির হয়ে গোল করেন ট্যামি আব্রাহাম, সিজার অ্যাজপিলিকুয়েতা, জর্গিনহো এবং এমার্সন। টাইব্রেকারে প্রথম ন’টি শটে নিশানায় অব্যর্থ থাকেন দু’দলের ফুটবলাররা। কিন্তু চেলসির হয়ে পঞ্চম শটটি জালে রাখতে ব্যর্থ হন ম্যাসন মাউন্ট।

ওয়েস্ট ব্রোমউইচের বিরুদ্ধে একাদশ থেকে এদিন ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডও ৮টি পরিবর্তন করেন। একদা তাঁর পুরনো কোচ হোসে মোরিনহোর বিরুদ্ধে ম্যানেজার হিসেবে গত তিনটি সাক্ষাতে শেষ হাসি হাসলেও লিগ কাপের ম্যাচে হারতে হল চেলসির প্রাক্তন ফুটবলারকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।