ফাইল ছবি

লখনউ: হরিদ্বার, পুরীর মতো বারাণসীর মন্দির সংলগ্ন এলাকায় মদ্যপান ও মাংস বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হতে চলেছে৷ বারাণসীর সব মন্দিরের ২৫০ মিটার পরিধির মধ্যে কোনও রকম মদ-মাংস বিক্রি এবং পরিবেশন করা যাবে না৷ একই নিষেধাজ্ঞা জারি হবে বারাণসীর বিভিন্ন হেরিটেজ এলাকায়৷ পুর বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বারাণসী পুরসভা৷

তবে এই ঘোষণার মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই৷ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ভোটের আগেই জানিয়েছিলেন, রাজ্যের সব ধর্মীয় এলাকায় মদ্যপান ও আমিষ জাতীয় খাবার বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে৷ মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর বারাণসী, বৃন্দাবন, অযোধ্যা, চিত্রকূট, দেওবন্দ, দেওয়া শরিফ এবং মিসরিখ নৈমিশরান্যা ইত্যাদি জায়গায় মদ ও মাংস বিক্রি বন্ধের পথে হাঁটে স্থানীয় প্রশাসন৷ শুল্ক দফতরকে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, কৃষ্ণের জন্মভূমি মথুরা এবং এলাহাবাদের সঙ্গমের এক কিলোমিটারের মধ্যে মদ বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে হবে৷ সেই মতো ময়দানে নেমে পড়েন শুল্ক দফতরের কর্তারা৷

এদিকে দু’দিন আগে বারাণসী পুরসভার এক্সিগিউটিভ মিটিংয়ে একটি প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়৷ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বারাণসী সুপ্রাচীন তীর্থ শহর৷ এর হেরিটেজ গুরুত্ব রয়েছে৷ শহরের শুদ্ধতা ও পবিত্রতা বজায় রাখতে মন্দির ও হেরিটেজ এলাকার ২৫০ মিটার পরিধির মধ্যে কোনওমতেই আমিষ এবং মদ বিক্রি করা যাবে না৷ পরবর্তী পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হবে৷ সেই মিটিংয়ে প্রস্তাবটি পাশ হলেই তা অনুমোদনের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।