দিঘাঃ নিউ দিঘার সমূদ্র তটে পাওয়া গেল একটি বিরাট আকারের কচ্ছপ। তবে জ্যান্ত অবস্থায় নয়, একেবারে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে সেটিকে। বৃহত আকারের এই কচ্ছপটিকে দেখতে সমুদ্রের তটে ভিড় জমান দিঘাতে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকরা। স্থানীয় বাসিন্দারাও বিশাল আকারর বিরল এই কচ্ছপটিকে দেখতে ছুটে আসেন।

জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সকালে দিঘার মাইতি ঘাটের কাছে কচ্ছপটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দীর্ঘসময় ধরে কচ্ছপটি মৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, খবর পেয়েও সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার কোনও তাগিদ ছিল না বনদফতরের। এর ফলে দুর্গন্ধ বাড়তে থাকে ভয়ঙ্করভাবেই। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু হল এই কচ্ছপটির তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

তবে মনে করা হচ্ছে কচ্ছপটি সমুদ্রের জলে আঘাত প্রাপ্ত হয় সমূদ্রের জলেই মারা পড়েছে। রাতে জোয়ারের জলে সেটি ভেসে চলে এসেছে বালিয়াড়িতে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এর আগে যতবারই মৃত কচ্ছপ উদ্ধার হয়েছে বনদপ্তর এর কর্মীরা সেটিকে উদ্ধার করে সেটিকে মাটিতে পুঁতে দেয়। তবে এবার আর তাদের দেখা মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। দিঘার সমুদ্রে একের পর এক প্রানীর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার মৎস্যজীবিদের জালে ধরা পড়ে একটি বিশাল আকৃতির চিল শঙ্কর মাছ। এর আগে এত বড় মাছ কখনও জালে উঠেছে কি না তা মনে করতে পারছেন না বলে মনে করতে পারছেন না মৎস্যজীদে অনেকে। গভীর সমুদ্র থেকে মাছটি ডাঙায় তুলতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় মৎস্যজীবী ও দিঘা মোহনা বাজারের কর্মীদের। দিঘা মোহনায় বিশালকৃতির এই মাছ দেখতে ভড়ি জমান পর্যটকরাও।

সমুদ্র থেকে মাছটি তোলার পর নিলামে সেটি বিক্রি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, চিল শঙ্কর মাছ সাধারণ বাজারে খাওয়ার জন্য বিক্রী হয়। তবে এত বড় মাছ বাজারে আসার আগাম খবর পেয়ে ব্যাপক উৎসাহ ছিল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে অন্য মৎস্যজীবীদের মধ্যেও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার কাঁথির শৌলায় আলআমিন-৩ নামের ট্রলারের মৎস্যজীবীদের জালে এই বিশালাকায় মাছটি ধরা পড়ে।

এর কয়েকদিন আগেই একের পর এক ডলফিন উদ্ধার করা হয়। যদিও সবগুলিই মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বারবার দিঘার সমুদ্রতট থেকে বিরল প্রজাতির প্রাণী উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।