হলদিয়া : আবারও টর্নেডো। এবার হলদিয়ায় মাঝনদীতে টর্নেডো। হলদিয়া বন্দরের অদূরে হুগলি নদীতে নয়াচর সংলগ্ন এলাকায় শুক্রবার বিকালে নাগাদ টর্নেডোর দেখা মেলে।

তবে হলদিয়ার স্থলভূমিতে আসার আগেই তা দুর্বল হয়। এদিন বন্দরের টাগ জেটি থেকে বন্দরের কর্মীরা হঠাৎ ঘন মেঘলা আকাশ থেকে বিশাল কালো শুঁড় নেমে আসতে দেখেন। তার প্রভাবে জল ফুলে ওঠে বেশ কয়েক ফিট।

ওই সময় টর্নেডোর পাশ দিয়ে বন্দরগামী তেলের জাহাজ আসছিল। তবে তার কোনও প্রভাব তেমন পড়েনি। টর্নেডো আসছে খবর শুনে বন্দরের কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। হলদিয়া বাসি টর্নেডো দেখার জন্যই নদীর উপকূলে ভিড় জমায়।

বৃহস্পতিবারও সাগরদ্বীপের কাছে হুগলি নদীর উপর টর্নেডো তৈরি হয়েছিল। নদীর উপর ফানেলের মতো ঘূর্ণি দেখা যায়। মুহূর্তে সেখানকার উল্লম্ব হয়ে উপরের দিকে ওঠে। তারপর গতি নিয়ে তা পাড়ের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। আধঘণ্টা জলের উপর ছিল ওই লোকাল টর্নেডো। স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। তারপর নদীতেই মিলিয়ে যায় সেটি। স্থলভাগে না আসায় আতঙ্ক মুক্ত হন মানুষ।

এমনই এক স্থানীয় টর্নেডো এসেছিল ২৬ মে, যা ইয়াসের জেরে তৈরি হওয়া সিস্টেমকে হাত করে তছনছ করেছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক অঞ্চল। ২৬ মে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর এবং হুগলির চূঁচুড়ায় বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ আচমকা টর্নেডো হয়।

এর ফলে এই দুই এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করার সময় এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হালিশহর ও চূঁচুড়ায় টর্নেডোর মতো ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে দুটো জায়গায় প্রায় ৪০ টি করে বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। বেশ কিছু দোকানের ক্ষতি হয়েছে। প্রকৃতির সঙ্গে আমরা পারবো না।

তবে ক্ষয় ক্ষতি হলে রাজ্য সরকার বিপন্নদের পাশে আছে।” এদিকে এই প্রসঙ্গে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সহ অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘সাইক্লোনের সঙ্গে সেমি সাইক্লোন বা এই জাতীয় টর্নেডো তৈরী হয়।’

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কোনও ছোট এলাকার হাওয়া হঠাৎ গরম হয়ে যায়, উপরে থাকে ঠান্ডা হাওয়া। দুয়ের সংস্পর্শে ফানেলের মতো মেঘ তৈরি হয়। এলাকা ছোট কিন্তু বায়ুর চাপে বিপুল তারতম্য। মেঘ ঘুরতে শুরু করে। এটি হয় ধারেকাছে এমন কোনও সিস্টেম থাকলে। সেটিই ছোটখাটো টর্নেডো তৈরি করে দেয় অনেক সময়ে। তবে আজকাল একটু বেশী তৈরি হচ্ছে এমন পরিস্থিতি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.