ওয়াশিংটন: দেশের উথালিপাথালি রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নজিরবিহীন বার্তা দিলেন মার্কিন সেনা কর্তারা। এতে বলা হয়েছে, দেশের সেনা সর্বতোভাবে সংবিধান রক্ষায় প্রস্তুত। গত কয়েক দশক তো বটেই, দূর অতীতেও এমন ভূমিকায় আসেনি মার্কিন সেনা। বার্তা প্রকাশের পর ফের চাঞ্চল্য।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থল, নৌ এবং বিমান বাহিনি সহ মার্কিন সেনাবাহিনীর সব শাখার শীর্ষ কম্যান্ডাররা যৌথভাবে সব সেনা সদস্যদের প্রতি এক বার্তা পাঠিয়েছেন। যৌথ বাহিনির চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি সহ সাতজন শীর্ষ জেনারেল এবং একজন অ্যাডমিরালের সই করা এই বার্তা সেনার উদ্দেশ্যে দেওয়া হলেও মার্কিন সংবাদ মাধ্যম তা প্রকাশ করেছে।

কী লেখা হয়েছে এই বার্তায়? বিবিসি জানাচ্ছে, বার্তায় সেনা নেতৃত্ব বলেছেন, “ওয়াশিংটন ডিসিতে ৬ জানুয়ারির হিংসাত্মক হামলা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস, ক্যাপিটল ভবনে। এটি আমাদের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি হামলা।“

আরও লেখা হয়েছে, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং জমায়েতের অধিকার কাউকে দেশদ্রোহিতা এবং বিদ্রোহের অধিকার দেয়না।“ বিবিসি জানাচ্ছে আগামী ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন জো বাইডেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনির চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি হবেন নতুন কম্যান্ডার ইন চিফ হবেন।

এদিকে পরাজয় মেনে নিতে না পারা বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উস্কানিমূলক ভাষণের পরেই গত ৬ জানুয়ারি হামলা হয়েছিল সংসদ ভবনে। এতে জড়িত ট্রাম্প ভক্তরা। হামলা রুখতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ফক্স নিউজের খবর, আগামী ২০ জানুয়ারি নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের আগেই ফের ট্রাম্প ভক্তরা হামলা চালাতে মরিয়া। তারা বিভিন্ন আদালতের দখল নিতে গোপনে বার্তা দিয়েছে। যে কোনও রকম পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই জারি করেছে বিশেষ সতর্কবার্তা।

এর পরেই এসেছে মার্কিন সেনার যৌথ কমান্ডের বিবৃতি। এই বিবৃতি বার্তার পরেই ফের আন্তর্জাতিক মহল সরগরম। জানা গিয়েছে, ক্ষমতায় বসতে চলা ডেমোক্র্যাটরা বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ক্ষমতা শেষের আগেই ইমপিচমেন্ট করতে মরিয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।