ফাইল ছবি

হায়দরাবাদ: তেলেঙ্গানা কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভাপতি ও কোডাংগালের বিধায়ক রেভানথ রেড্ডিকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সভার কিছুক্ষণ আগে এই গ্রেফতারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে৷ কংগ্রেস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে৷ এই ঘটনা কোডাংগল কেন্দ্রের মানুষের উপর হামলা বলে মন্তব্য করেন রেড্ডির স্ত্রী গীতাদেবী৷

কোডাংগাল কেন্দ্র থেকে এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রেভানথ রেড্ডি৷ মঙ্গলবার বিকালে এই কেন্দ্রে নির্বাচনী সভা করার কথা কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের৷ তার আগে ভোরের আলো ফোটার আগে বাড়ি থেকে কংগ্রেস বিধায়ককে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ৷ টিআরএস সুপ্রিমোর সভায় গোলযোগ বাধাতে পারে এমন আশঙ্কা ও অভিযোগে রেড্ডিকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ কারণ কয়েকদিন আগে সে হুমকির সুরে জানিয়েছিল কেসিআর তাঁর কেন্দ্রে সভা করতে এলে ওই দিন বনধের ডাক দেবেন৷ গোটা শহর স্তব্ধ করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন৷

তাই স্থানীয় টিআরএস নেতা সোমবার নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন৷ জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সভাতে রেড্ডি ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে৷ তার জেরে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷ অভিযোগ পাওয়ার পরই কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে পুলিশ মঙ্গলবার ভোররাতে তাঁকে তুলে নিয়ে যায়৷

কংগ্রেস প্রার্থী ছাড়াও তাঁর ভাই ও দুই কর্মীকে প্রথমে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ৷ পরে দুই কর্মীকে মুক্তি দেওয়া হলেও ছাড়া পাননি রেড্ডি ও তাঁর ভাই৷ সূত্রের খবর, দু’জনকে হায়দরাবাদ থেকে দুরে শামসাবাদ পুলিশ স্টেশনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ রেড্ডির স্ত্রী গীতা জানান, মঙ্গলবার ভোর তিনটে নাগাদ পুলিশ একরকম দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে৷ পাঁচ মিনিটের মধ্যে হুড়মুড়িয়ে প্রায় ৪০ জন পুলিশ ঘরে ঢুকে জোর করে তাঁর স্বামী তুলে নিয়ে যায়৷

গীতাদেবীর অভিযোগ, পুলিশের কাছে কোনও আইডি কার্ড ছিল না৷ তারা রাজ্য পুলিশ নাকি টাস্ক ফোর্সের সদস্য কিছুই পরিস্কার নয়৷ একজন শুধু জানান, উপরমহল থেকে তাঁর স্বামীকে গ্রেফতারের নির্দেশ আছে৷ এরপরই জঙ্গিদের কায়দায় তাঁর স্বামীকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ৷