নয়াদিল্লি: কংগ্রেস থেকে বিধায়ক ভাঙাতে যে বিজেপি সবরকমভাবে চেষ্টা করছে, এমন অভিযোগ আগেও বারবার তুলেছে কংগ্রেস। এবার ফের সেই একই অভিযোগ উঠল কর্নাটকে। বিজেপির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা খরচ করে হর্স ট্রেডিং-এর অভিযোগ।

অভিযোগ, বিধায়ক ভাঙাতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা খরচ করছে বিজেপি। ১৮ জন কংগ্রেস বিধায়কের প্রত্যেককে ১০ কোটি করে টাকার অফার দেওয়া হয়েছে। শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস নেতা কেসি বেনুগোপাল ও রণদীপ সুরযেওয়ালা অভিযোগ করেন, বিজেপি কর্ণাটকের সরকার ভাঙার জন্য টাকার টোপ দিচ্ছে। এই ঘটনায় নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ সরাসরি যুক্ত আছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। এমনকি কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকারকে ৫০ কোটি টাকা দেওয়ার টোপ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।

শুক্রবারই এই একই অভিযোগ নিয়ে একটি অডিও টেপ প্রকাশ করেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। সেই টেপে শোনা যায়, ইয়েদুরাপ্পা জেডিএসের এক বিধায়ককে ভাঙানোর জন্য টাকার অফার দিচ্ছে।

সম্প্রতি, বাজেট সেশনে বিধানসভা থেকে উধাও হয়ে যান একাধিক কংগ্রেস বিধায়ক। তারপরই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। শুক্রবার কুমারস্বামী প্রকাশিত অডিও রেকর্ডিং ক্লিপ অনুযায়ী, জেডিএস বিধায়ক নাগান্নাগৌড়াকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইয়েদুরাপ্পা। তাঁকে ৫০ কোটি টাকার অফারও দেওয়া হয়।

অভিযোগ, দেওদুর্গা ইন্সপেকশন বাংলোয় বসে জেডিএস বিধায়ক নাগান্নাগৌড়ার ছেলেকে টাকার টোপ দেন ইয়েদুরাপ্পা। ঘুষের বিনিময়ে তাঁর বাবাকে দলবদলে বাধ্য করার প্রস্তাব দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

কুমারস্বামীর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন কর্নাটকের বিজেপি সভাপতি বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর দাবি, ওই অডিও টেপ ভুয়ো। তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত অভিযোগ এনেছেন কুমারস্বামী। তিনি বলেন, এই অডিও টেপ যদি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি বিধায়ক পদ ছেড়ে দেব।