কলকাতা২৪x৭: স্বাস্থ্য ঠিক রাখা এখন একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সকলের সামনে। বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ও স্থূল ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে অসংখ্য শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য জড়িয়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তার কারণে অনেকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু আবার জানিয়েছে আফ্রিকা এবং এশিয়ার ৪০ শতাংশ মানুষ ওজনযুক্ত হয়ে থাকে এবং মাত্র এক তৃতীয়াংশ মানুষ স্থূল হয়।

প্রতিবছর প্রায় চার মিলিয়ন মানুষ স্থূলতার কারণে মারাও যায়। বিশ্বব্যাপী, অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ও স্থূল শিশু এবং কিশোর-কিশোরীর সংখ্যা ১৯৭৫ সালের তুলনায় চারগুন বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ১৮ শতাংশে। উন্নয়নশীল দেশগুলির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শহরাঞ্চলে ওজন ও স্থূলত্ব উভয়েরই হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভারতে শহরে এবং গ্রামে মোট ১৩.৫ কোটি মানুষ স্থূল হয়ে উঠছেন এবং এই তালিকায় প্রতি বছর যুক্ত হচ্ছে আরও ১ কোটি করে মানুষ। এর পাশাপাশি লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের গবেষক এস লুহার এবং তার সহকর্মীরা জানাচ্ছে আগামী ২০৪০ সালে ভারতে প্রায় ৩০.৫ শতাংশ পুরুষ ও ৯.৫ শতাংশ মহিলা বেশি ওজন হবে এবং ২৭.৪ শতাংশ পুরুষ ও ১৩.৯ শতাংশ মহিলা স্থূল ওজনের হয়ে থাকবে।

এই ওজন স্থূলতা দূর করার সব থেকে বড়ো ওষুধ প্রোটিন। আমাদের শরীরের মাসেল তৈরিতে প্রোটিনের ভূমিকা সবথেকে বেশি থাকে। তবে এই প্রোটিন একটি নির্দিষ্ট্য পরিমানে খাওয়া উচিত। তার কারণ দেহে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি হলে বেড়ে যেতে পারে ওজন। আর সেই কারণে ওজন ঠিক রাখার জন্য প্রোটিনের তালিকা থেকে যে সমস্ত বিষয় আমাদের এড়িয়ে যাওয়া উচিত, তা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হল।

১. আমাদের রোজ কম করে হলেও খাবারের পাতে প্রোটিন জাতীয় খাবার রাখা দরকার। এই হালকা প্রোটিনের জন্য মাচ, মাংস, হাঁস, মুরগী থাকলেও, বাদ দিতে হবে মেষশাবক, বেকন এবং শুয়োরের মাংসের মতো খাবারগুলি।

২. অনেকে ডায়েটের জন্য কার্বোহাইড্রেট খাবার এড়িয়ে যায়। তবে সম্পূর্ণরূপে কার্বোহাইড্রেট খাওয়া এড়ানো উচিত নয়। সার্বিক সুস্বাস্থ্য এবং শক্তির জন্য সীমিত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট আমাদের শরীরে প্রয়োজন।

৩. সমস্ত খাবারে প্রোটিন জাতীয় উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে, যা দিনে অল্প অল্প করে খেতে হবে। এই নিয়মে উপকার হয় শরীরের। স্ন্যাকস বা ছোট খাবারের জন্য বাদাম, ডিম বা প্রোটিন সমৃদ্ধ মিল্কশেকগুলি শুরু করা যেতে পারে ভালো প্রোটিনের জন্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.