মাদ্রিদ: গত শুক্রবার এক কোভিড-১৯ (COVID-19) সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে গিয়ে বিপদ ডেকে এনেছিলেন টনি ক্রুস (Toni Kroos)। প্রোটোকল মেনে আইসোলেশনে চলে যেতে হয়েছিল সঙ্গে সঙ্গে। আইসোলেশনে থাকাকালীন প্রাথমিক রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও দ্বিতীয় রিপোর্টে পজিটিভ জার্মান মিডফিল্ডার। যা লিগের নির্ণায়ক ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তা বাড়াল রিয়াল মাদ্রিদের (Real Madrid)।

সোমবার এক অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের (Los Blancos) তরফ থেকে টনি ক্রুসের করোনা আক্রান্তের খবর জানানো হয় হয়। সোমবার তারা বিবৃতিতে লেখে, ‘আমাদের ফুটবলার টনি ক্রুসের শরীরে আজ করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল যার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার কারণে গত শুক্রবার ১৪মে থেকে আইসোলেশনে ছিলেন তিনি।’ উল্লেখ্য, সেই কারণে রবিবাসরীয় অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিরুদ্ধেও ১৯ জনের স্কোয়াডে ছিলেন না ক্রুস।

করোনা আক্রান্ত না হলে আইসোলেশন পর্ব কাটিয়ে আগামী ২৩মে ভিল্লারিয়ালের (Villareal) বিরুদ্ধে ম্যাচে নিশ্চিতভাবে স্কোয়াডে থাকতেন তিনি। কিন্তু রিপোর্ট পজিটিভ আসায় সে সম্ভাবনা আর রইল না। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঝমাঠে জার্মান মিডফিল্ডারের অভাব কিছুটা হলেও বোধ হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। ২৩মে ভিল্লারিয়ালের বিরুদ্ধে জয় ছাড়া কোনও গতি নেই রিয়ালের। পা হড়কালেই নিশ্চিত চ্যাম্পিয়ন পড়শি অ্যাটলেটিকো (Atletico)। এমনকি জিতলেও তাকিয়ে থাকতে হবে দিয়েগো সিমোনের (Diego Simeone) দলের পয়েন্ট নষ্টের দিকে।

এদিকে রবিবার অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিরুদ্ধে জয়ের পর মার্কা (Marca), গোল ডট কম (Goal.com) সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট খারিজ করে ক্লাব ছাড়ার জল্পনা উড়িয়ে দিলেন রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান (Zinedine Zidane)।

মরশুম শেষে তিনি যে ক্লাব ছাড়ছেন সেটা নাকি ফুটবলারদের জানিয়ে রেখেছেন ‘জিজৌ’। এমনই খবর শিরোনামে এসেছিল সম্প্রতি। কিন্তু অ্যাথলেটিক ক্লাবকে হারিয়ে উঠে সেই সংবাদের সত্যতা পত্রপাঠ খারিজ করলেন ফ্রেঞ্চম্যান। জিদান সাফ বললেন, ‘এই সময় কীভাবে ফুটবলারদের ক্লাব ছাড়ার কথা বলব আমি? আমরা খেতাব জয়ের দিকেই সমস্ত মনোনিবেশ করছি। কিছু স্থানীয় সংবাদমাধ্যম যা ইচ্ছে হয় বলে যায়। কিন্তু আমি কখনও আমার প্লেয়ারদের এমন কোনও কথা জানায়নি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.