বহরমপুর: নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসতে চলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ৷ সোমবার তাঁর বহরমপুর, পূর্ব বর্ধমান ও হুগলিতে তিনটি জনসভা করার কথা৷ যোগীর সভা হিট করতে আদা জল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি৷ জোরকদমে চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ৷ যোগীর সভায় লোক আনতে স্থানীয় নেতাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুর্শিদাবাদ জেলায় আসছেন বিজেপির এই হেভিওয়েট নেতা। এর আগে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সভা করতে আসার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে আসতে পারেননি স্মৃতি ইরানি সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তাঁরা সভা করতে আসতে না পারলেও এবার বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে সভা করতে আসছেন যোগী আদিত্যনাথ।

যোগী আদিত্যনাথের সভাকে সফল করতে বদ্ধ পরিকর জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। সভার আগে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার কর্মী সমর্থক আসবেন। রবিবার সভাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন জেলা বিজেপি সভাপতি গৌরী শঙ্কর ঘোষ সহ বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন তিনি জানান, আগের মতো এবারও যোগী আদিত্যনাথের সভা বন্ধ করে দিতে চেষ্টা করেছিল জেলা প্রশাসন৷ কিন্তু বিজেপির অনবরত চাপে অবশেষে তারা অনুমতি দিতে বাধ্য হয়েছে।

গৌরী শঙ্কর ঘোষ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবদ্ধকতা তৈরির অভিযোগ আনেন৷ জানান, প্রথমে বাস মালিকদের তরফে ২০০ বাস দেওয়ার কথা জানানো হলে পরে তৃণমূলের চাপে তারা তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন৷ উদ্দেশ্য, কোনভাবেই এই সভায় কর্মী সমর্থকেরা যাতে আসতে না পারে৷ তবে এত বাধা পেরিয়েও বিজেপি কর্মীরা যোগীর সভায় ভিড় করবেনই৷ জোর গলায় জানান গৌরি শঙ্কর ঘোষ৷

তবে অন্য এক আশঙ্কার কথাও প্রকাশ করেন তিনি৷ জানান, সভায় আশার পথে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাধার মুখে বা তাদের উপর হামলা হতে পারে৷ সব শেষে তিনি বলেন, ‘‘যত বাধাই আসুক না কেন, যে কোন উপায়ে মানুষ যোগী আদিত্যনাথের সভায় উপস্থিত থাকবেন।’’