কলকাতা : কাল রবিবার ব্রিগেডে (Brigade meeting) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ঐতিহাসিক সমাবেশ। বিজেপি-র রাজ্য নেতৃত্বের তরফে এই জনসভার জন্য আলাদা রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছেন এই ব্রিগেডে ১২ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে। স্তব্ধ করে দেওয়া হবে কলকাতাকে।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বিজেপির এই হাই ভোল্টেজ ব্রিগেড সমাবেশকে সফল করতে সার্বিকভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। এই আগে রাজ্যওয়ারি প্রচার , মিছিল, সভা করা হয়েছে বিজেপি-র তরফে। প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি-র শীর্ষ নেতা নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি এই ব্রিগেড থেকে কী বার্তা দলকে দেন সেই দিকে তাকিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা।

ব্রিগেড ময়দান ভরাতে সব রকম উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি। ব্রিগেডের পুরো ময়দানকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করে সাউন্ড সিস্টেম লাগানো হচ্ছে। থাকছে জয়েন্ট স্ক্রিন। এ ছাড়া মূল মঞ্চের পাশে থাকছে আলাদা দুটি মঞ্চ। মূল মঞ্চে নরেন্দ্র মোদি ও অন্যান্য প্রথম সারির নেতৃত্ব থাকবেন। অন্য দুটি মঞ্চে থাকবেন বিজেপি-র অন্য নেতৃত্ব। এটা হচ্ছে বিজেপি-র ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতি।

এছাড়াও কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বসানো হবে জায়ান্ট স্ক্রিন। এই জয়েন্ট স্ক্রিনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ তারা শুনবেন যারা ব্রিগেডে পৌঁছতে পারলেন না বা যাদের ব্রিগেডে ভিড়ের জন্য জায়গা হয়নি।

এই ব্রিগেড সমাবেশ যে বড় মাত্রা পেতে চলেছে সেটা বিজেপি আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিল। তাছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি বাম, কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের ব্রিগেডের ভিড় বিজেপিকে মোদির ব্রিগেড নিয়ে চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে ব্রিগেড সমাবেশে সময় থাকলে মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakroborty) উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। থাকছেন বলিউডের ষ্টার অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ব্রিগেড সমাবেশে থাকতে আমন্ত্রীন জানিয়েছেন বলে তিনি জানান। থাকার সম্ভাবনা রয়েছে সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া দীনেশ ত্রিবেদী। কাজেই ব্রিগেড সমাবেশে যে উল্লেখযোগ্য ভিড় হবে সেটা আশা করা যাচ্ছে। তবে দেখার এই সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।