কলকাতাঃ করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে ধুঁকছে গোটা দেশ। প্রায় ভেঙে পড়া এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বাস করছে দেশের জনগণ। দেশের সরকারের থেকে সাহায্য পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। তাই সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসছে তরুণ প্রজন্ম। বাংলা ইন্ডাস্টির এমনই কিছু নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা মিলে গঠন করেছে রিলিফ সেন্টার। করোনা রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তারা।

দেশে প্রতিষেধকের জোগান নেই, হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত বেড নেই, অক্সিজেন নেই। অথচ কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করে বেশ জোর কদমেই চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন গড়ার কাজ। তাই দেশের সরকারের উপর হাল একপ্রকার ছেড়ে দিয়ে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্মরা। বিভিন্ন এলাকায় গঠন করেছে নিজেদের টিম। যারা প্রাথমিকভাবে সাহায্যে নেমেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যকারী নম্বর শেয়ার করেছে। এদেরই মত টলিউদের ঋতব্রত মুখার্জি, ঋদ্ধি সেন, সুরঙ্গনা বন্ধোপাধ্যায় এই সকল তরুণ অভিনেতা এবার সমাজকর্মী হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। তাদের ‘দেশের নামে’ নাটকের টিমের সকলে মিলে গঠন করেছে ‘দেশের নামে’ সাহায্যকারী নম্বর। হাসপাতালে বেড, অক্সিজেন, প্লাজমা প্রমুখ প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে বলেছে তাদের সঙ্গে। বিগত কিছুদিনে তারা একাধিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সাহায্য করেছে। কিন্তু এখন তারা নিজেরাই নিরুপায়। তারাও আর জোগান দিতে পারছে না বেড কিংবা অক্সিজেনের। তাই নিজেরাই নিয়েছেন এক নতুন উদ্যোগ। গঠন করেছেন কোভিড ১৯ রিলিফ সেন্টের। মুমূর্ষু করোনা রোগীদের জন্যে অক্সিজেন ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে তাদের রিলিফ সেন্টারে।

ঋতব্রত তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমরা একটি নতুন কোভিড রিলিফ ফেসিলিটি খোলার ব্যবস্থা করেছি। আমরা কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে সব রকম সুযোগ সুবিধা যেমন অক্সিজেন ও মেডিক্যাল ফেসিলিটি জোগাড় করে এই উদ্যোগটি নিয়েছি। আমরা আশা করছি খুব দ্রুতগতিতে সেই পরিষেবা শুরু করে দিতে পারবো। আমাদের একটি হেল্পলাইনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে ফোন করে আপনারা সহজেই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। এই বিষয়ে আরো জানতে চোখ রাখুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে’।

দেশের সরকার যখন মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন তখন এরাই হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের ভরসা। এরা নিজেরা অনেকে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। সেরে উঠে আবারও এগিয়ে এসেছেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। থেমে যায়নি। কারণ এরা থামতে শেখেনই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.