স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সোমবার থেকে টলিপাড়ায় শুরু হচ্ছে শ্যুটিং।একটি শ্যুটিং সেটে সর্বাধিক ৩৫ জন কলাকুশলী উপস্থিত থাকতে পারবে। সবকিছুর শ্যুটিংয়ের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে।

শনিবার নবান্নের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শ্যুটিংয়ের সময় নির্দিষ্ট হাইজিন ও সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। শ্যুটিং সেটে সকলের মাস্ক পরাও বাধ্যতামূলক,একমাত্র শট দেওয়ার সময় অভিনেতাদের মাস্ক খুলতে পারবেন। শ্যুটিং সেট এবং শ্যুটিংয়ের সরঞ্জামও জীবানুমুক্ত করতে হবে। তবে আউটডোর কোনওরকম শ্যুটিং শুরু করা যাবে না।

গত ১৮ মার্চ থেকে তালাবন্ধ ছিল স্টুডিওপাড়া। গত ১২ মে নবান্নের সভাঘরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে টলিগঞ্জের শিল্পীদের পোস্ট প্রোডাকসনের কাজ শুরু করার অনুমতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কনটেনমেন্ট জোনের বাইরের এলাকায় এডিটিং ও ডাবিংয়ের কাজ জারি ছিল। শ্যুটিং শুরুর ব্যাপারে এরমধ্যেই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে ফেডারেশন, ইম্পা, আর্টিস্ট ফোরাম, প্রোডিউসারস গিল্ড এবং বিভিন্ন চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বৈঠক করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

যদিও ওই বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি তাঁরা। জানা গিয়েছে, ২ জুন স্বরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে আরও একটি বৈঠক হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বলিউডের নির্দেশিকা এসে পৌঁছেছে, কিন্তু তা পুরোটা মেনে চলা বাংলা ইন্ডাস্ট্রির পক্ষে কতটা সম্ভবপর তা নিয়েও আলোচনা হবে।

সূত্রের খবর, বৈঠকে নয়া নির্দেশিকা তৈরির কথাও রয়েছে। তারপরেই ৪ঠা জুন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আর এক দফার আলোচনায় বসবে বাংলা বিনোদন জগত। কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা যায়, কতজন উপস্থিত থাকতে পারে শুটিং ইউনিটে সমস্তটাই পরিকল্পনা করা হবে।

প্রতীকী ছবি ( প্রতিবেদনের সঙ্গে কোনও যোগ নেই)

প্রসঙ্গত, বলিউডে নির্দেশিকা মেনেই শুরু হয়েছে অক্ষয় কুমারের শুটিং।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও