কলকাতা: দুই বাড়িতেই পোষ্য আছে। একজনের বাড়িতে আছে শুভশ্রীর জিলাটো অন্যের বাড়িতে আছে চিকু ও ম্যাক্স। আমরা কথা বলছি, অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী বাড়ির কথা। অভিনেত্রীর বড় সন্তান অর্থাৎ পোষ্য চারপেয়ে চিকুর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ রোগ ক্যান্সার।

আর তা ক্রমশই ছড়িয়ে পড়ছে। কলকাতার বহু চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করেছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি আগেই। তবে তাতে আশানুরূপ ফল মেলেনি।হয়নি কোনো সুরাহা।তাই মিমি চক্রবর্তী চিকুকে নিয়ে যাচ্ছেন চেন্নাইতে।চেন্নাইয়ে চেন্নাই ভেট পশুচিকিৎসালয় যাচ্ছেন মিমি তাঁর বড় সন্তানকে নিয়ে।সোমবার সকালে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে চিকুর একটি ছবি পোস্ট করেছেন মিমি। দেখা যাচ্ছে গাড়িতে বসে আছে চিকু।

এই খবর সামনে আসতেই পরিচালক রাজ চক্রবর্তী,মিমি চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্য ও মিমির চারপেয়ে সন্তানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। টুইটারে চিকুর চিকিৎসার খবর শেয়ার করে পরিচালক লিখেছেন, ‘আমি ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি চিকু খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে আবার যেন ফিরে আসে’।

এছাড়া অভিনেত্রী ও সাংসদের বহুদিনের বন্ধু এবং সহ-অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা,সেও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইটারে লিখেছেন,’ তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে এসো চিকু। তোমায় খুব ভালোবাসি। মিমি তুমি ওর এবং নিজের যত্ন নিও।

পরিচালক বিরসা দাশগুপ্ত লিখেছেন ‘ ও,খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবে অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য লিখেছেন, ‘সেরে উঠুক তাড়াতাড়ি, এই কামনা করি।’ সঙ্গীত পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাসগুপ্ত লিখেছেন,চিকু একজন চ্যম্প,ওকে খুব ভালবাসি’। চিকুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা করেছেন মিমির অনুরাগী থেকে শুরু করে পশুপ্রেমীরা।

আট বছর বয়সী মিমির বড়ো সন্তান চিকু একটি ল্যাব্রেডর। কদিন আগেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের আর্তি জানিয়েছেন মিমি। মিমি লিখেছিলেন, আমি খুব ভেঙে পড়েছি ও দুঃখে আছি। এটা লেখার সময় আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। কিন্তু আমায় লড়তেই হবে। আমার আপনাদের সাহায্য চাই । তোমরা নিশ্চই জানো ছবির এই বাচ্চাটি আমার কে হয়। আমার বড় ছেলে চিকু। ওর ক্যানসার ধরা পড়েছে এবং সেটি ছড়িয়ে পড়ছে। চিকিৎসকরা আশা ছেড়ে দিয়েছে। কোনও অস্ত্রপোচার করা যাবে না। আমার চেন্নাই ভেট পশুচিকিৎসালয় এর সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। যদি কারও জানা শোনা থাকে দয়া করে কমেন্টে বা ইনবক্সে আমায় জানান।’

চিকুকে চিকিৎসার জন্য চেন্নাই নিয়ে যাওয়ার আগে,মিমি লিখলেন,’আমার চ্যাম্প চেন্নাই যাচ্ছে,তাঁর পরবর্তী চিকিৎসার জন্য। আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন।’ চিকুর শারীরিক অসুস্থতার খবর চোখে জল এসেছে পশুপ্রেমীদের। আমরাও চাই মিমির চ্যাম্প চিকু যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।