নয়াদিল্লি: টোকিও অলিম্পিকে(Tokyo Olympic) ভারতের জন্য খারাপ খবর৷ অলিম্পিকগামী ভারতীয় মহিলা কুস্তিগীর আনশু মালিকের (Anshu Malik) কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পোলান্ড ওপেন (Poland Open) থেকে সরে দাঁড়ালেন (withdraw)৷ তবে অলিম্পিক শুরু হতে এখনও প্রায় দেড় মাস বাকি৷ ফলে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে আশাবাদী এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় কুস্তিগীর৷ ২৩ জুলাই থেকে শুরু হবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’৷

টোকিও অলিম্পিকে যোগ্যতাঅর্জন করা কুস্তিগীর আনশু মালিকের জ্বর ধরা পড়ার কোভিড-১৯ (Covid-19) টেস্ট করানো হয়৷ কিন্তু সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসার আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে আইসোলেনে (isolation) চলে গিয়েছিলেন ভারতীয় এই কুস্তিগীর৷ পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন আনশু ৫৭ কেজি বিভাগের (57kg category) জন্য (weigh-in) এর রিপোর্ট করার কথা ছিল। কিন্তু তাঁর জ্বর থাকায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

আনশু’র (Anshu Malik) বাবা-মা গত মাসে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন৷ তবে বাবা ও মা সুস্থ হওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি এবং তাঁর ছোট ভাই রোহতকের একটি হোটেলে ছিলেন। সুস্থ হয়ে ওঠার পরই ফিরেছিলেন৷ ১৯ বছরের আনশু চলতি বছরের এপ্রিলে আলমাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অলিম্পিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে টোকিও অলিম্পিক গেমসে খেলার যোগ্যতাঅর্জন করেছিলেন।

আনশু হলেন দ্বিতীয় ভারতীয় কুস্তিগীর, যিনি টোকিও অলিম্পিকের (Tokyo Olympics) আগে শেষ র‌্যাঙ্কিং সিরিজের (Ranking Series) ইভেন্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন। কনুকের চোটের কারণে পুরুষদের ফ্রি-স্টাইল ৮৬ কেজি (freestyle 86kg) প্রতিযোগিতা থেকে সরে এসেছেন দীপক পুনিয়া (Deepak Punia)। পোলিশ ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণ শিবিরের জন্য পুনিয়া পাঁচ জুলাই পর্যন্ত দলের সঙ্গে থাকবেন। পোলান্ড ওপেনে পুরুষদের ৬১ কেজি ফ্রি-স্টাইলে রুপো জিতেছেন টোকিওগামী রবি দাহিয়া৷ এদিন ৫৩ কেজি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ভিনেশ ফোগোত (Vinesh Phogat)৷

এর আগে পোলান্ড ওপেন থেকে সরে দাড়িয়েছেন বজরঙ্গ পুনিয়াও৷ রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ নেওয়ার কারণে সরে দাঁড়ান তিনি। এছাড়া চোটের কারণে ওয়ারশো যাননি সীমা বিসলা (৫০ কেজি) ও সোনম মালিক (৬২ কেজি)৷ আর সোফিয়ায় ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্বসংস্থা কর্তৃক নির্বাসিত হয়েছেন সুমিত মালিকক (১২৫ কেজি)৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.