লখনউ: মাঠে প্রাকৃতিক কাজকর্ম সাড়ার অভ্যাস থেকে বেরতে পারছেন না মোদীর দত্তক নেওয়া গ্রামের বাসিন্দারা৷ অথচ শৌচালয়ের কোন অভাব নেই জয়াপুর গ্রামে৷ বরং প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি আছে৷ কিন্তু শৌচালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন তারা৷ গ্রামের বাসিন্দারা প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে দৌড়াচ্ছেন সেই মাঠে ঘাটে৷ খোলা আকাশের নীচে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে শৌচকর্মে অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন তারা৷

খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দত্তক নেওয়া গ্রামেই স্বচ্ছতা অভিযান জোর ধাক্কা খেল৷ শৌচালয়ের অভাব না থাকা সত্ত্বেও বাসিন্দারা ছুটছেন সেই মাঠে বা ক্ষেতে৷ কিন্তু কেন? ২০১৪ সালে সাংসদ আদর্শ গ্রাম যোজনার অধীনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশের জয়াপুর গ্রামকে দত্তক নেন৷ তারপর গ্রামে তৈরি হয় নতুন ৬২৪টি শৌচালয়৷ গ্রামের ৪৩০টি পরিবারের জন্য যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি৷ শৌচালয় নির্মাণে সরকারের খরচ হয় ৯৮.৮৮ লক্ষ টাকা৷

শৌচালয়ে নির্মাণের পর আশা করা গিয়েছিল গ্রামবাসীদের খোলা আকাশের নীচে শৌচকর্ম করার অভ্যাস বন্ধ করা যাবে৷ বাস্তবে হয়েছে ঠিক উল্টোটাই৷ এর জন্য গ্রামবাসীরা দুষছেন শৌচালয়গুলিকেই৷ এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, শৌচালয়গুলির এখনই প্রায় ভগ্ন দশা৷ ছাদ থেকে চাঙর খসে পড়ে৷ অনেকক্ষেত্রে শৌচালয়গুলি বাড়ি থেকে অনেক দুরে ফলের বাগানকেও ছাড়িয়ে বানানো হয়েছে৷ রসিকতা করে এক গ্রামবাসী জানান, ওই শৌচালয়ে যেতে হলে বাসে করে পৌঁছাতে হবে৷ শৌচালয়গুলি নির্মাণের পর সেগুলি রক্ষণাবেক্ষণেরও প্রয়োজন হয়৷ সেই রক্ষণাবেক্ষণের কাজই ঠিকমতো হয়নি বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের৷

লিষ্ট এখানেই শেষ নয়৷ আরও অভিযোগ আছে৷ অনেক শৌচালয়ে জলের সংযোগ ঠিক মতো নেই৷ কোথাও সুয়ারেজ ব্যবস্থা ঠিক নয়৷ বায়ো-টয়লেটগুলির কথা যত কম বলা যায় তত মঙ্গল৷ সেগুলির অবস্থা আরোই তথৈবচ৷ ব্যবহারের অযোগ্য বলে শৌচালয়গুলি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন গ্রামবাসীরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I