স্টাফ রিপোর্টার, মালবাজার: সম্প্রতি ভুটান লাগোয়া তোদে পর্যটনপ্রেমীদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠছে। এখন এখানে গড়ে উঠেছে নতুন একটি হোম স্টে। আর তাতেই আকর্ষণ বেড়েছে এই জায়গার। ফলে পর্যটনের ঢল নেমেছে। কালিম্পং জেলায় অবস্থিত তোদে ইদানীং নয়া ডেস্টিনেশন হিসেবে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে নিচ্ছে।

এতদিন এখানকার মানুষের জীবিকা ছিল কৃষিনির্ভর। তবে ইদানীং পর্যটন থেকেই আয় হচ্ছে বেশি। তাই তোদে-র পর্যটন প্রসারে উদ্যোগী হয়েছেন স্থানীয় মানুষেরাও। পাশেই রয়েছে রিকাচু নদী। নদীর ধার ঘেষে রাত্রিবাসের অভিজ্ঞতা অবিস্মরণীয়। এই নদীর বৈশিষ্ট্য হল এর জল প্রচণ্ড গরম। এই নদীর জলে স্থান করলে শরীরের ব্যথা দূর হয়।

এই সব কারণেই সম্প্রতি তোদে জায়গাটি ঘিরে ভ্রামণিকদের আগ্রহ বাড়ছে। মালবাজার থেকে এখানকার দূরত্ব মাত্র ৬০ কিলোমিটার। এখন সেজে উঠেছে এখানকার বনাঞ্চল। এখানে গড়ে উঠে নতুন হোম স্টে। অনেকেই মনে করছেন ডুয়ার্সের পর্যটন মানচিত্রে আগামী দিনে একটি বিশেষ জায়গা করে নিতে চলেছে তোদে।

আরও পড়ুন- রাতের কলকাতায় ঝমঝমিয়ে নামল বৃষ্টি

স্থানীয় মানুষদের কথায়, পর্যটকরা এলেই আমাদের মঙ্গল। এখনে পর্যটন বিকাশ হলে আমাদের সুবিধা হবে। প্রাকৃতিক নিসর্গ তোদে-কে আর পাঁচটা জায়গার থেকে আলাদা করেছে। নিসর্গের টানেই আগামী দিনে এখানে পর্যটনের ঢল মানবে। স্থানীয় পর্যটনদ্যোগী রাজেন প্রধান জানিয়েছেন, আগে মালবাজার থেকে তোদে যাওয়ার ক্ষেত্রে রাস্তার সমস্যা ছিল। তবে এখন রাস্তাঘাট ভাল হওয়ায় অনায়াসেই গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায় এখানে। সেই কারণেও পর্যটক বাড়ছে।

সব মিলিয়ে তোদের বাসিন্দারা কোমর বেঁধে পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে শুরু করেছেন। আগামী দিনে প্যাকেজ ট্যুরের জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নদীর ধারে গড়ে তোলা হবে ফার্ম হাউস। পাহাড় চূড়া থেকে শুরু করে নানা দ্রষ্টব্য স্থান সাজিয়ে তোলা হবে। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালবাসেন তাদের বিশেষ ভাল লাগবে জায়গাটি।