স্টাফ রিপোর্টার, কৃষ্ণনগর: ২ বছর আগের অপহৃত শিশু উদ্ধার হল নদিয়ার চাপড়া থেকে। রবিবার অপহৃত শিশুকে নদিয়ার ভীমপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। অপহৃত শিশুর নাম সামিম সেখ। শিশুটির আসল বাড়ি চাপড়ার বাঙ্গালঝিতে। ঘটনা ২০১৫ সালের।৭ সেপ্টেম্বর সামিমকে বাড়ি থেকেই অপহরণ করে নিয়ে যায় যখন দুস্কৃতিরা। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র এক বছর।
শিশু নিখোঁজ হওয়ার পরে সামিমের বাবা হাজু সেখ তাঁর আত্মীয়দের বিরুদ্ধে চাপড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পাওয়ার পরে পুলিশ অপহরণে জড়িত সন্দেহে ৮ জনকে গ্রেপ্তারও করে। ঘটনায় নাম উঠে আসে তৃণমূলের চাপড়া-২ অঞ্চল সভাপতি আইনাল সেখ ওরফে কাংলা-র নামও।

তারপর কেটে যায় দুই বছর। দোষীদের পাশাপাশি চলতে থাকে শিশুর খোঁজও। অবশেষে আজ ভীমপুরের সন্ধ্যা মাঠপাড়ার এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছ থেকে শিশুকে উদ্ধার করে চাপড়া থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্ত থেকে পুলিশের অনুমান, সঞ্জিত দাস নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে অপহরণ করে ওই নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করেছিল। তবে সঞ্জিত দাসের দাবি কৃষ্ণনগরেরই বাসিন্দা বাপি নামে এক ব্যক্তি শিশুকে তাঁর কাছে দিয়েছিল। তবে টাকা দিয়ে শিশু কেনার কথা অস্বীকার করে সঞ্জিত দাস। সঞ্জিতের বয়ান অনুযায়ী জনৈক বাপির খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। তবে কে বা কারা আসল অপহরণকারী তা এখনও পুলিসের কাছে পরিস্কার নয়। এ ব্যাপারে পুলিশ ফের তদন্তে নেমেছে । পুলিস জানিয়েছে, খুব শীঘ্র অপহরণকারীরা ধরা পড়বে।

এদিন দুপুরবেলা ভীমপুরের ওই নিঃসন্তান দম্পতির থেকে সামিমকে চাপড়া থানায় নিয়ে আসা হয়। থানায় ডাকা হয় সামিমের বাবা-মাকে। সামিমের বাবা-মা তাদের ছেলেকে শনাক্ত করেন। ছেলেকে দেখার পর চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি বাবা-মা দুজনেই।

শামিমের বাবা হাজু সেখ বলেন, “আমরা তো ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম, রাখে আল্লাহ মারে কে! ছেলেকে ফিরে পাওয়াটা আমার কাছে আল্লাহর দেওয়া রমজান মাসের একটা মূল্যবান উপহার। আল্লাহকে অশেষ ধন্যবাদ।” নদিয়া পুলিশ সুপার শিষরাম ঝাঝারিয়া বলেন, “আমরা কিছুদিন আগে শিশু অপহরনের কেসগুলি নিয়ে একটা রিভিউ করেছিলাম। সেখানে দেখা যায় এই কেসটা পেন্ডিং আছে। তখন আমরা কেসটা গুরুত্বসহকারে দেখি। এটাকে আমরা আমাদের পুলিশের সাফল্য হিসাবে দেখছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.