কলকাতা: দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ভোটের মরশুমে বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজনৈতিক প্রচার, মিছিল, সমাবেশের ক্ষেত্রে নানা বিধি জারি হলেও নিয়মভঙ্গও চলছে দেদার। প্রার্থীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রার্থীদের সংস্পর্শে আসছে হাজার হাজার মানুষ। সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে দিনের পর দিন উর্দ্ধমুখী হচ্ছে রাজ্যের করোনাগ্রাফ। চিন্তায় ঘুম উড়ছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত হয়েছে ৮ হাজার ৪১৯ জন। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯২৭ জন। রাজ্যে সবথেকে বেশি সংক্রমিত হচ্ছে কলকাতার মানুষ। কলকাতায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৯৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।সেখানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৮০৭ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৫০১ জন। হাওড়া রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ৪৯০ জন মানুষ।এদিন রাজ্যে করোনার বলি হয়েছে ২৮ জন। তারমধ্যে ছয় জন উত্তর ২৪ পরগনার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। সেখানে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫ জন। এখনও পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০হাজার ৫৬৮জন ।

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ০৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ০৬১ জন কলকাতার। যদিও সুস্থতার নিরিখেও প্রথম স্থানে রয়েছে কলকাতা। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪৬ হাজার ০৭৪ জনের।

এদিকে,রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানোর জন্য টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা রয়েছে কিনা, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলির উপর নিয়মিত নজর রাখা, মোটের উপর রাজ্যের সার্বিক করোনা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাবে এই টাস্ক ফোর্স।সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে কীভাবে বেড সংখ্যা বাড়ানো যায় সেদিকে নজর দেবে এই টাস্ক ফোর্স।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.