covid 19 vaccine
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে ভ্যাকসিনের আকালের মধ্যে খানিকটা স্বস্তির খবর৷ আজ, মঙ্গলবার হায়দরাবাদ থেকে রাজ্যে আসছে আরও দেড় লক্ষ কোভ্যাক্সিন৷ আপাতত এর সাহায্যে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু করা যাবে বলে আশা করছে চিকিৎসা মহল।

রাজ্যে করোনার ভ্যাকসিনের ভাঁড়ে মা ভবানী দশা। সরকারি বেসরকারি কোনও হাসপাতালেই করোনার টিকা পাওয়া যাচ্ছে না। একাধিক সরকারি হাসপাতালে টিকা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন মানুষ। এই নিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হচ্ছে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের। কলকাতার একাধিক হাসপাতালে কয়েকদিন ধরেই বন্ধ করোনার টিকাকরণ। মঙ্গলবার, ৫ মে থেকেই তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু হওয়ার কথা ছিল রাজ্যে। এই পর্যায়ে টিকা দেওয়ার কথা ১৮ ঊর্ধ্বদের। কিন্তু প্রশাসনের হাতে পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ সময়ে শুরু করা যায়নি।

আরও পড়ুন: মে মাসে হচ্ছে না কোনও অফলাইন পরীক্ষা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জুনে

সম্প্রতি রাজ্যের সব সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল স্বাস্থ্য দফতর। বৈঠকের পর স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, ১৮ বছরের উর্ধ্বে কারোরই টিকা করণ এখন রাজ্যে হবে না। আগে ৪৫ বছরের উর্ধ্বে সকলের সেকেন্ড ডোজ এবং প্রথম ডোজের টিকাকরণ হবে তার পরে ধাপে ধাপে ১৮ বছরের উর্ধ্বে সকলের টিকাকরণ করা হবে৷

এদিকে, তৃতীয় দফার ভ্যাকসিনেশন শুরুর আগেই বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে করোনার টিকাকরণ নিয়ে গাইডলাইন পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ৩০ এপ্রিলের পর করোনা ভ্যাকসিনের সমস্ত পুরনো স্টক রাজ্য সরকারকে ফেরত দিতে হবে। ১ মে থেকে করোনার টিকাকরণ চালাতে হলে বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে সরাসরি উৎপাদনকারী সংস্থার কাছ থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিতে হবে। তবে এরই মধ্যে বেসরকারি হাসপাতাল হিসেবে অ্যাপোলো, ম্যাক্স ও ফর্টিস আশ্বাস দিয়ে জানিয়ে দেয়, তাদের কাছে ভ্যাকসিন রয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে টিকার ঘাটতির কথা জানিয়ে এর মধ্যে বেশ কয়েক দফা চিঠি পাঠানো হয়েছিল কেন্দ্রকে। চিঠি পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের কাছে ৩ কোটি টিকার দাবি করেছিলেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.