স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আজ, সোমবার দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াকের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ফিতে কাটার পর থেকেই দক্ষিণেশ্বর রেল স্টেশন থেকে সরাসরি মন্দিরে চলে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷

ঠিক হয়েছে, রানি রাসমণি রোড দিয়ে শুধু চার চাকা চলাচল করবে। দু’চাকা, সাইকেল, রিকশ সবই দু’পাশের ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করবে। বাহারি গাছ দিয়ে ছোট পার্ক করা রয়েছে। গোটা এলাকা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। মন্দিরের ভিতরে পার্কিংয়ের জায়গায় প্রায় তিন বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী এসে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করে গিয়েছিলেন। ঠিক সেই জায়গাতেই বিশাল মঞ্চ করা হয়েছে।

দক্ষিণেশ্বরে’র যানজট ও পূণ্যার্থীদে’র সুবিধায় স্টেশন থেকে সরাসরি ভবতারিনী’র মন্দিরে পৌঁছতে স্কাইওয়াক তৈরি’র ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ জানান এটি তাঁর অন্যতম স্বপ্নের প্রকল্প৷ ৩৪০ মিটার লম্বা এবং ৩.৫ মিটার চওড়া নবগঠিত স্কাইওয়াকে রয়েছে ১৪টি এস্কেলেটর৷ ১২টি দরজা৷ বয়স্কদের জন্য বন্দোবস্ত থাকছে ৪টি লিফটের৷মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা স্কাইওয়াক জুড়ে সাউন্ড সিস্টেম রয়েছে। সেখানে শ্যামাসংগীত বাজবে৷

২০১৫ থেকে শুরু হয় স্কাইওয়াকে’র কাজ৷ প্রকল্প এলাকায় বহু দোকান থাকায় তাদের পুনর্বাসন ঘিরে তৈরি হয় জটিলতা৷ পরে রাজ্য সরকার ঘোষণা করে স্কাইওয়াকে তাদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে৷ কথা মতো হয়েছে কাজ৷ স্টেশন থেকে এসে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সেই সব দোকান থেকেই কিনতে পারবেন দর্শণার্থীরা৷ এক কথায় দক্ষিনেশ্বর স্কাইওয়াক কলকাতার মুকুটে নতুন পালক৷

এই স্কাইওয়াক নির্মাণে খরচ হয়েছে ৬৫ কোটি টাকা৷ কেএমডিএ’র তত্ত্বাবধানে নতুন এই নির্মাণ উৎসবের মরসুমে রাজ্যবাসীকে সরকারের উপহার বলে মনে করা হচ্ছে৷

তিনবছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন স্কাইওয়াকের শিলান্যাস করেছিলেন সেইদিন তিনি নীল বেনারসী, ফুল, মিষ্টি দিয়ে ভবতারিনীকে পুজো দিয়েছিলেন৷ সোমবার তিনি পুজো দেবেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও