নয়াদিল্লি: পরিস্থিতি এমনই যে এই অর্থবর্ষে কর থেকে রাজস্ব আদায় প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা কমে যেতে পারে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি মন্ত্রক ও দফতরে খরচ কমানো নির্দেশিকা জারি হয়েছে৷ পাশাপাশি, আয় বাড়াতে সরকারের নজর এখন অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ (এজিআর) সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়কে হাতিয়ার করে পাওনা আদায়।

গত ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে টেলিকম সংস্থাগুলিকে কেন্দ্রের বকেয়া পাওনা প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার কোটি টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। এবার ওই অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ (এজিআর) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সামনে রেখে অয়েল ইন্ডিয়ার কাছে ৪৮,০০০ কোটি টাকা বকেয়ার মেটানোর দাবিতে নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় টেলিকম দফতর (ডিওটি)। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাটিকে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে ওই অর্থ মেটাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আবার গেইল ও পাওয়ারগ্রিড-এর কাছ থেকে যথাক্রমে ১ লক্ষ ৭২ হাজার কোটি টাকা ও ৪০,০০০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা মেটাতে বলেছে টেলিকম দফতর ৷ অর্থাৎ টেলিকম নয়, এমন তিন সংস্থার কাছ থেকেই মোট ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা দাবি করেছে ডিওটি ৷ এই অর্থ পাওয়া গেলে সরকারের কোষাগারের ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করছে বিভিন্নমহল।

প্রসঙ্গত, এজিআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, টেলিকম ছাড়াও অন্য খাতে আয়ের ক্ষেত্রেও সরকার তাদের পুরনো বকেয়া আদায়ে এই নির্দেশ গ্রাহ্য হবে। অয়েল ইন্ডিয়ার অন্তর্বর্তী যোগাযোগের জন্য যে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, টেলিকম দফতর সেই বাবদ মূল বকেয়া এবং সুদ ও জরিমানা ধরে মোট ৪৮,০০০ কোটি টাকা চেয়েছে।

যদিও এজিআর খাতে বকেয়া মেটানোর জন্য বাড়তি সময় চেয়ে আর্জি জানিয়ে যৌথ ভাবে ভোডাফোন আইডিয়া ও ভারতী এয়ারটেল সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। ২৩তারিখের মধ্যে ভারতী এয়ারটেল ও ভোডাফোন আইডিয়ারল কাছ থেকে সরকারের যথাক্রমে ৩৫,৫৮৬ কোটি ও ৫৩,০৩৮ কোটি টাকা পাওনা।

একই রকম ভাবে কেন্দ্র চাইলেও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উৎপাদনকারী সংস্থাটি কতটা আদৌ দেবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে । কারণ অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ (এজিআর)-এর রায়ের প্রেক্ষিতে যে নোটিস পাঠিয়েছে সেটা চ্যালেঞ্জ করে টেলিকম ডিসপুটস সেটলমেন্ট অ্যান্ড অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনাল (টিডিস্যাট)-এ যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে অয়েল ইন্ডিয়া।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও