হলদিয়া: সারা রাজ্য জুড়ে এখন বেড়েছে মহিলা শিক্ষার হার। জেলায় জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মহিলাদের স্কুল ও কলেজ। প্রায় সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে মহিলাদের শিক্ষা বিস্তার। এমন সময় মহিলাদের ক্রীড়া মুখী করে তুলতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলে আয়োজন করা হয় সারাবাংলা মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতা।

এদিন সারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট আটটি দল এই সারাবাংলা কাবাডি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। জেলায় এই ধরনের মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে এদিন মাঠজুড়ে ছিল ব্যাপক ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের ভিড়। এরিন মহিষাদলের অনামিকা ক্লাবের আয়োজনে এই সারাবাংলা মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্ব শ্রীরামপুরে ক্লাবের ময়দানে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলাজুড়ে এখন ক্রীড়ার সংখ্যা প্রায় কমছে এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সকলকে ক্রীড়া মুখী করে তুলতে মহিষাদলের অনামী ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ধরনের মহিলা কবাডি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। সারা রাজ্যের মোট আটটি দল কাবাডি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ বিভিন্ন জেলা থেকে এদিন এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। সারাবাংলা কাবাডি প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলি দাস, সহ-সভাপতি তিলক কুমার চক্রবর্তী, মহিষাদল রাজ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক হরিপদ মাইতি সহ অন্যান্যরা।

প্রাক্তন অধ্যাপক হরিপদ মাইতি জানান, “সুস্থ দেহেই সুস্থ মন থাকে। আর সুস্থ মন থাকলেই ভালো পড়াশোনা হয়। এই খেলার কোন বিকল্প নেই। তাই এই ধরনের খেলা যত বেশি চালু করা হবে তত ভালো। প্রতিটি স্কুলে স্কুলে কাবাডি খেলা কাবাডি প্রতিযোগিতা শুরু হওয়া খুব দরকার রয়েছে।”

অনামিকা ক্লাবের সম্পাদক রঘুনাথ কামিলা জানান, “এই জেলা নারী শিক্ষার দিক থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে আমরা এই মহিলা কবাডি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। আমাদের এই প্রতিযোগিতায় সারা রাজ্যের মোট আটটি দল অংশ নিয়েছে”।

অপরদিকে ক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ মহাপাত্র জানান, “মহিলাদেরও ক্রীড়া মুখি করে তুলতে আমরা এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। এর ফলে শরীর এবং স্বাস্থ্য সবই ভালো থাকবে।”