বক্সার: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত গোটা দেশ।রকেটের গতিতে বাড়ছে কোরোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষ। এহেনপরিস্থিতিতে আরও বেশি পরীক্ষা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তার বিভিন্ন রাজ্য রেলওয়ে স্টেশন, বাসস্ট্যান্ডের মতন জনাকীর্ণ স্টেশনে করোনা নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু সম্প্রতি বিহারের এমন একটা ছবি সামনে এসেছে যা দেখে শিহরিত হবেন।করোনা পরীক্ষা এড়াতে ট্রেনের যাত্রীরা ব্যাগপত্র নিয়ে দৌড়াচ্ছে। ঘটনাটির ভিডিওটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়।যা রীতিমত স্তম্ভিত করে দেওয়ার মত।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মহিলা শিশু-সহ কয়েক শো মানুষ স্টেশন থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসছেন। প্রথমে দেখলে মনে হবে যেন স্টেশনে আতঙ্কজনক কিছু ঘটেছে। কিন্তু তা নয়, আসলে তাঁদের করোনা পরীক্ষা করতে বলা হচ্ছিল। আর তাঁরা চাননি তাঁদের করোনা পরীক্ষা হোক। তাই পরীক্ষা এড়াতে তাঁরা ব্যাগপত্র নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছেন।ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের বক্সার প্লাটফর্মে। যেখানে বাইরের রাজ্য থেকে আসা ব্যক্তিদের স্টেশন থেকে বেরনোর মুখে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

উত্তরোত্তর করোনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে লকডাউনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে মানুষের মনে। যার ফলে আবার বাড়ি ফেরার হিড়িক পড়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এই পরিস্থিতিতে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার নির্দেশ জারি করেন, বাইরের রাজ্য থেকে যাঁরা ফিরছেন তাঁদের যেন স্টেশনে স্টেশনে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। আর সেই নির্দেশ মতন স্টেশন থেকে বার হওয়ার মুখে ক্যাম্প করে কয়েক জন স্বাস্থ্য কর্মী পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। তাঁরা যাত্রীদের আবেদন করতে থাকেন।কিন্তু তাদের কথা ভ্রূক্ষেপ না করে যে যার মতন পালাতে থাকেন।সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকায়। ভিনরাজ্য থেকে আগত যাত্রীদের আটকাতে সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.