স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : ভোটের মুখে গেরোয় পুলিশ। এবার কম্বল বিতরনের অনুষ্ঠানে তৃণমূলের মঞ্চে দেখা গেল পুলিশ কর্তাকে। আর যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে বামনগোলায়!

দলের সর্বভারতীয় যুব সভাপতি অভিষেক বন্দোপাধ্যায় পোস্টার টাঙানো মঞ্চে অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় পাকুয়া পুলিশ ফাঁড়ির বামনগোলা থানার দুই অফিসারকে। বিধানসভা ভোটের আগে পুলিশ দিয়ে সন্ত্রাস ও ভয় দেখানোর অভিযোগ জেলা বিজেপির।

যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, নিরাপত্তার জন্য তাকে ডাকা হয়েছিল। সন্মান জানিয়ে মঞ্চে বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার ছিল স্বামী বিবেকানন্দর ১৫৯ তম জন্মদিন উপলক্ষে বামনগোলা ব্লকের গোবিন্দপুর-মহেশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঙাপুকুর এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্যোগে বস্ত্র বিলির কর্মসূচি নেওয়া হয়। পাশাপাশি এই এলাকায় মটরকালী পূজা উপলক্ষে এই আয়োজনের করা হয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে।

যার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন মালদহ জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মধ্যক্ষ তথা স্থানীয় তৃণমূল নেত্রী পিংকি সরকার মাহাতো। কিন্তু কর্মসূচির শুরুতেই বিতর্ক উস্কে দিয়েছে রাজনৈতিক এই প্রোগ্রামে পুলিশকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে। এদিকে পুরো বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব ।

দলের জেলার সহ-সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন,বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল এখন পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতির ময়দানে নেমেছে।মানুষকে ভয় দেখিয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে।

রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে যে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল,সেখানে পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের উপস্থিত থাকাটা মোটেই ঠিক হয় নি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচন কমিশন আসলে আমরা এই বিষয়ে অভিযোগ জানাবো। বামনগোলা তৃণমূল নেত্রী তথা মালদহ জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মধ্যক্ষ পিংকি সরকার মাহাতো বলেন, এদিন কম্বল বিতরন অনুষ্ঠান ছিল।

সেই অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কর্তাদের ডাকা হয়েছিল। বিরোধীদের কাজই হচ্ছে যে কোনো কাজকে নিয়ে সমালোচনা করা। স্বামীজির জন্মদিনে ও বিজেপি কটাক্ষ করছে, এটা ঠিক নয়। সামাজিক কাজের ক্ষেত্রে সরকারি আধিকারিক বলুন, অথবা পুলিশ কর্তারা আসতেই পারেন ।

যেহেতু এখানে বস্ত্রবিলি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল, তাই ভিড় এবং নিরাপত্তার বিষয়টি দেখতে এসেছিলেন ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ কর্তারা। মঞ্চে তাদেরকে সম্মান জানিয়ে ডাকা হয়েছিল। এনিয়ে অযথা বিতর্কের কিছু নেই । যদিও এব্যাপারে পাকুয়া ফাঁড়ির ওই আধিকারিক বলেন, স্বামীজির জন্মদিন তাই এসেছিলাম।

গরিব মানুষদের বস্ত্র দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। এরপরই ক্যামেরা দেখেই এলাকা থেকে সরে যান ওই দুই পুলিশ কর্তা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।