স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সোমবার ভোট দিয়েই বীরভূমে তৃণমূলের সর্বেসর্বা অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, তাঁর নকুলদানা ঠিকঠাক কাজ করছে৷ নকুলদানার জয়ধ্বনিও দিয়েছিলেন তিনি৷ কিন্তু তাঁর দুর্গেই তৃণমূল কর্মীদের মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিল বিজেপি৷ তৃণমূলের তরফ থেকেই সেই অভিযোগ এসেছে৷আর তাতেই প্রশ্ন উঠল, তাহলে কি কেষ্টার নকুলদানা খেরাপি ঠিকমতো কাজ করল না?

এদিন নানুরের ২১৭ নম্বর বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন এক বিজেপি সমর্থক। অভিযোগ, ওই সমর্থককে মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এরপরই গ্রাম থেকে লাঠি-বাঁশ নিয়ে বেরিয়ে আসেন মহিলারা। তৃণমূলের অস্থায়ী শিবির ভেঙে দেন তাঁরা। ওই অফিসেই চলছিল রান্নার আয়োজন। সে সব পুকুরে ফেলে দেন মারমুখী মহিলারা। শুধু তাই নয়, গ্রামে ঢুকে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতেও চড়াও হন মহিলারা।

নানুরের বন্দর গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, আমরা সবাই বিজেপি করি। আমাদের সমর্থককে মেরেছে ওরা।ভোটের আগের দিন থেকেই তাদের সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে হুমকি, শাসানি দিয়ে গিয়েছে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।এমনকি মারধরও করা হয়েছে৷

এছাড়া, সিউড়ির কামারডাঙাল গ্রামে সংঘর্ষ বাধে বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের। ভোট দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তিনজন তৃণমূল কর্মীকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। অভিযোগের তির বিজেপির কর্মী সমর্থকদের দিকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। ভোট দেওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডলও জানিয়েছেন, কয়েকটি জায়গায় বিজেপি ঝামেলা পাকিয়েছে৷

কিন্তু নকুলদানা কাজ করেনি সে কথা মানতে রাজি নন অনুব্রত৷ কলকাতা 24×7-এর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা এতবড় একটা উৎসব৷ দু-একটা জায়গায় খাবার তো খারাপ হতেই পারে৷ কিন্তু দেখবেন শেষপর্যন্ত নকুলদানার জয়-ই হবে৷