স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সাম্প্রতিক সময়ে এক বিরল ছবির সাক্ষী থাকলেন বাঁকুড়ার রাজনৈতিক সচেতন মানুষ। গোটা রাজ্যেই কার্যত কখনও বিজেপি তো কখনও শাসক দল তৃণমূলের ঘর ভাঙা চলছে। গত কয়েকমাসে বাঁকুড়াতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। কখনও শাসকদল বিজেপির ঘর ভেঙেছে। রাজ্যের মধ্যে বাঁকুড়া বিজেপির কাছে অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত।

পড়ুন আরও- ৫ বছরের বেতনহীন ছুটি! ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখে দেশ

সেই বিজেপির ঘর ভাঙিয়েছছে শাসক দল তৃণমূল। আবার পালটাও হয়েছে। গত কয়েকমাসে তৃণমূল ছেড়ে বহু নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছে বিজেপি। কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে এখন যেন উলাট পুরাণ! সোনামুখী এলাকার ১৫০ জন নেতা কর্মী শাসক দল তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন কংগ্রেসে।

পড়ুন আরও- COVID-19 Test Scam: বোরখা পরে সাহেদ বাংলাদেশ থেকে বসিরহাট আসছিল

তৃণমূল ছেড়ে আসা ওই কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন কংগ্রেসের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি নীলমাধব গুপ্ত। এই ঘটনা কিছুটা হলেও অবাক করেছে রাজনৈতিক কারবারিদের। কারণ, গত কয়েকমাসে শাসকদল তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে নাম লিখিয়েছেন নেতা, কর্মীরা সেই উদাহারণ নেই। তাও আবার বাঁকুড়াতে।

তবে এই দলবদলে নতুন করে চাঙ্গা হতে শুরু করেছে কংগ্রেস শিবির। স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে যে, তৃণমূল এবং বিজেপি পয়সার এপীঠ আর ওপীঠ! অতিষ্ট হয়ে গিয়েছে। আর সেই কারণে কংগ্রেসেই ফিরে আসছন তাঁরা।

জেলা কংগ্রেসের সভাপতি নীলমাধব গুপ্তের হাত ধরেই এদিন সোনামুখীর বেহারবাড়া, নিমতলা, ধান সিমলা সহ পাঁচটি এলাকা থেকে ১৫০ জন তৃণমূল ছেড়ে তাদের দলে যোগ দিলেন । এই সদস্যরা আগামী দিনে এই এলাকায় কংগ্রেসের সংগঠনকে মজবুত করবে বলে তিনি আত্মপ্রত্যয়ী বলে জানান।

অন্যদিকে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের পতাকাতলে আসা আমিরুন মল্লিক বলেন, তৃণমূলের আমলে চাল চুরি, গম চুরির পাশাপাশি বেকারত্ব বেড়েছে। এসব দূর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই কংগ্রেসে যোগদান বলে তিনি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ