স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যাত্রী প্রতিক্ষালয় থেকে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শৌচালয়ের দেওয়াল, সর্বত্রই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি দেখা যায়। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ে না বিরোধীরা। সেখানে সদ্য গঠিত তৃণমূলের বঙ্গ জননী বাহিনী দলনেত্রীর ছবি ছাড়াই সভার আয়োজন করল। তৃণমূলের দলীয় সংস্কৃতিতে এই ভিন্ন ছবি কৌতূহল বাড়িয়েছে বিরোধীদের।

তৃণমূলের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিক ভাবেই দলের সবকটি সংগঠনের কর্মসূচিতে তাঁর ছবি জ্বলজ্বল করে। অথচ বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে বঙ্গজননীর প্রথম সভায় তৃণমূল সুপ্রিমোর ছবি ছিল না
যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, এর মধ্যে রাজনীতির গন্ধ না খোঁজাই ভালো। এবিষয়ে বঙ্গজননীর চেয়ারপারসন কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, এটা একটা অরাজনৈতিক কর্মসূচি। সেকারণেই দলনেত্রীর ছবি রাখা হয়নি। একই মত তৃণমূলের মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের।

উল্লেখ্য, আরএসএস ও বিজেপিকে রুখতে অনেকটা আরএসএস-এর কায়দাতেই বাংলায় দুটি বাহিনী তৈরি করেছেন মমতা। একটি জয় হিন্দ অন্যটি বঙ্গজননী। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, যেহেতু আরএসএসের সঙ্গে রাজনীতির সরাসরি কোনও যোগাযোগ নেই তাই এই দুটি সংগঠনকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দেখাতে চাইছে। সেই কারণেই তাঁর ছবি এবং দলীয় প্রতীক ছাড়াই জয় হিন্দ ও বঙ্গজননীকে কর্মসূচি আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন।

একজন আপাদমস্তক রাজনৈতিক ব্যক্তি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলের দুটি সংগঠনকে কিভাবে অরাজনৈতিক রাখবেন সেই প্রশ্ন উঠছে বিরোধীদের মধ্যেই। যেমন বিজেপির রাজনীতিতে নাম জড়িয়ে যায় আরএসএসের৷