তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: মাদ্রসা ভোটের রেজাল্ট বেরতেই খুশির হাওয়া বাঁকুড়ায়। হাই মাদ্রাসা ভোটে এখানে ৬টি আসনেই জয় লাভ করল তৃণমূল। যদিও এই ফলাফলের বিষয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে ‘অবাধে ছাপ্পা ভোট’ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

প্রসঙ্গত, এই হাই মাদ্রাসার নির্বাচন ঘিরে গত ১৬ জানুয়ারী উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চান্দাই এলাকা। বিজেপির একটি পার্টি অফিস আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। পরে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় কমবেশী চার জন গুরুতর আহত হন। একটি মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। যদিও, সেই সময় বিজেপির তোলা অভিযোগ শাসক তৃণমূল সম্পূর্ণ অস্বীকার করে। এই ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। রবিবার সকাল থেকেই ১৪৪ ধারা জারির মধ্যেই পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী চান্দাই হাই মাদ্রাসার ৬ টি আসনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

বিজেপির তরফে ‘তৃণমূল ছাপ্পা ভোট’ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং এজেন্ট আশাউদ্দিন মল্লিকের অভিযোগ, ‘প্রশাসনের মদতে’ তৃণমূল এই ভোটে সমানে ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে। প্রিসাইডিং অফিসারকে বিষয়টি জানালেও কোনও কাজ হয়নি।

গত কয়েক দিন আগে, তাদের পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে ভোট বানচাল করার চেষ্টা করেছিল বলেও তার অভিযোগ। বড়জোড়া এলাকার প্রথম সারির বিজেপি নেতা সুজিত অগস্থির দাবি, প্রশাসনের সহযোগিতায় তৃণমূল ছাপ্পা ভোট দিয়ে হাই মাদ্রাসার নির্বাচনে জিততে চাইছে। কোনও বিজেপি কর্মীকে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, ১৪৪ ধারা জারি করে দলের জেলা নেতৃত্বকেও ঐ এলাকায় যেতে দেওয়া হয়নি।

এদিকে, বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। দলের বড়জোড়া ব্লক সভাপতি অলক মুখোপাধ্যায় বলেন, চার পাঁচ দিন আগে নিজেদের পার্টি অফিস নিজেরাই আগুন লাগিয়ে বিজেপির তরফে তৃণমূলের নামে বদনাম করার চেষ্টা হয়েছিল। এই কাণ্ড ঘটিয়ে বিজেপি প্রচারের আলোয় আসার পাশাপাশি সহানুভূতির হাওয়ায় ভোটে জিততে চেয়েছিল। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। কোনও ধরনের অশান্তি হয়নি দাবি করে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা ‘ছাপ্পা’র অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ