বৈদ‍্যবাটি (হুগলি): নুন খেয়ে গুণ গাইতেই হয়। তবে সেটা অনেক সময় হয় না। কিন্তু মিষ্টি খেয়ে? এই প্রবাদে গুণ গাওয়ার কথা বলা হয়নি। তবে গায়ের ঝাল মিটিয়ে কেউ কিছু বলতে গেলে মিষ্টি মুখ করিয়ে শোনাই ভালো। এমনই বুঝে অভিনব-পন্থ তৃণমূল কংগ্রেসের।

হুগলির বৈদ্যবাটি এলাকায় শুরু হয়েছে কড়া পাকের সন্দেশ খাইয়ে মিষ্টি-মধুর পদ্ধতিতে দিদিকে বলো কর্মসূচি। প্রতিটি সন্দেশে লেখা রয়েছে নম্বর। একেবারে হরির লুটের মতো বন্টণ করা হচ্ছে সেই সন্দেশ।

দিদিকে বলো প্রচারের এই অভিনবত্ব এনেছেন বৈদ‍্যবাটি পুরসভার কাউন্সিলর সুবীর ঘোষ। ট্রে-তে সন্দেশ সাজিয়ে নিয়ে তিনি হাজির সাধারণের কাছে। সবাই খাচ্ছেন। কথা বলছেন। উঠে আসছে সুবিধা অসুবিধার কথা। মনের ঝাল উগরে কেউ আর মিষ্টি খেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছেন না।

তবে সন্দেশ দেওয়া দিদিকে বলো কর্মসূচি সাড়া ফেলে দিয়েছে। এভাবেই মিষ্টি খাইয়ে চলছে তৃণমূলের জনসংযোগ। তৃণমূল নেতারা বলেছেন, উৎসবের মরশুম শুরু হয় বিশ্বকর্মা পুজো দিয়ে। আসন্ন শারদোৎসবের আগে তাই মিষ্টি খাইয়ে চলছে জনসংযোগ।

প্রাথমিকভাবে টেলিফোন নম্বর দিয়ে দিদি কে বলো কর্মসূচির ঝড় তুলেছে। সেই সঙ্গে শাসক তৃণমূলকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে ফোন করে ক্রমাগত নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন জনগণ। কাটমানি খওয়ার অভিযোগ শুনতে গিয়ে নাজেহাল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

এই অবস্থায় অভিনব চাল দিয়ে এবার মিষ্টিমুখ করিয়ে অভিযোগ শোনার পালা এলো। অনেকেই বলছেন, খাচ্ছে তবে বলছে কি মনের কথা !